- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~২০০ কিমি · ৪–৫ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
পনেরো শতকে খান জাহান আলীর তৈরি; ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান।
ঐতিহ্য
এক নজরে
- নির্মাণ
- পনেরো শতক (আনুমানিক ১৪৪০–১৪৫৯)
- নির্মাতা
- খান জাহান আলী
- গম্বুজ
- ৭৭টি (ছাদে) + ৪টি কোণার মিনার
- স্বীকৃতি
- ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য—মসজিদের শহর বাগেরহাট (১৯৮৫)
ইতিহাস ও বিস্তারিত
পনেরো শতকে তুর্কি বংশোদ্ভূত সেনাপতি ও সুফি সাধক খান জাহান আলী সুন্দরবনের কিনারে জঙ্গল কেটে 'খলিফাতাবাদ' নামে একটি সমৃদ্ধ নগরী গড়ে তোলেন। নগরীর প্রাণকেন্দ্র ছিল এই মসজিদ, যা সম্ভবত প্রশাসনিক কাজ ও দরবার হিসেবেও ব্যবহৃত হতো।
নাম 'ষাট গম্বুজ' হলেও ছাদে আসলে ৭৭টি গম্বুজ; ভেতরে ৬০টি পাথরের স্তম্ভ। অনেকের মতে সাত সারি গম্বুজ বা 'সাত গম্বুজ' থেকে লোকমুখে 'ষাট গম্বুজ' নাম হয়েছে। ইটের তৈরি বিশাল ভবন, পুরু দেয়াল, পোড়ামাটির অলংকরণ আর চার কোণের গোলাকার মিনার তুঘলক স্থাপত্যরীতির প্রভাব দেখায়। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাচীন মসজিদ।
১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো খলিফাতাবাদের প্রায় ৫০টি স্থাপনা নিয়ে 'মসজিদের শহর বাগেরহাট'কে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে। মসজিদের পাশে জাদুঘরে খলিফাতাবাদের প্রত্নবস্তু আর সামনে বিশাল ঘোড়াদিঘি।
যা যা করবেন
- ভেতরে ৬০টি স্তম্ভের সারি দেখুন
- পাশের জাদুঘরে খলিফাতাবাদের নিদর্শন দেখুন
- ঘোড়াদিঘির পাড়ে বসে বিশ্রাম নিন
- ভ্যানে বাগেরহাটের অন্য প্রাচীন মসজিদগুলো ঘুরুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- সিংগাইর মসজিদ (০.৫ কিমি)
- বিবি বেগনী ও চুনাখোলা মসজিদ (১–২ কিমি)
- খান জাহান আলীর মাজার (২ কিমি)
- নয় গম্বুজ মসজিদ (২ কিমি)
- রণবিজয়পুর মসজিদ (২ কিমি)
জেনে রাখুন
- রবিবার বন্ধ, সোমবার অর্ধদিবস
- পাশের জাদুঘরে খলিফাতাবাদের নিদর্শন দেখুন
- সিংগাইর, বিবি বেগনী, চুনাখোলা মসজিদও কাছে
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।




