- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~৩০০ কিমি · ৬–৭ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
পনেরো শতকের 'গৌড়ের রত্ন'; পাথরের অসাধারণ কারুকাজ।
ঐতিহ্য
এক নজরে
- নির্মাণ
- ১৪৯৩–১৫১৯ সালের মধ্যে (আলাউদ্দিন হোসেন শাহের আমল)
- নির্মাতা
- ওয়ালী মোহাম্মদ
- গম্বুজ
- ১৫টি (মাঝের সারিতে ৩টি চৌচালা)
- অবস্থান
- শিবগঞ্জ, গৌড়ের বাংলাদেশ অংশ
ইতিহাস ও বিস্তারিত
প্রাচীন বাংলার রাজধানী গৌড় নগরীর একটি অংশ এখন বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জে, বাকি অংশ ভারতের মালদহে। সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের আমলে (১৪৯৩–১৫১৯) ওয়ালী মোহাম্মদ নামে এক ব্যক্তি এই মসজিদ নির্মাণ করেন। একসময় গম্বুজগুলো সোনালি গিল্টি করা ছিল, তাই নাম 'সোনা মসজিদ'; ভারতের অংশে 'বড় সোনা মসজিদ' থাকায় এটি 'ছোট সোনা মসজিদ'।
মসজিদের বাইরে ও ভেতরে পাথর ও পোড়ামাটিতে লতাপাতা, ফুল আর জ্যামিতিক নকশার অসাধারণ কারুকাজ—এজন্য একে 'গৌড়ের রত্ন' বলা হয়। ভেতরে উত্তর-পশ্চিম কোণে সুলতান বা বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামাজের জন্য উঁচু 'জেনানা গ্যালারি' আছে।
মসজিদ প্রাঙ্গণে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরের সমাধি। কাছেই তাহখানা, দারাসবাড়ি মসজিদ ও মাদ্রাসা, খনিয়াদিঘি মসজিদ আর সোনামসজিদ স্থলবন্দর।
যা যা করবেন
- মসজিদের দেয়ালের পাথরের খোদাই খুঁটিয়ে দেখুন
- বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান
- ভ্যানে গৌড়ের অন্য প্রাচীন স্থাপনা ঘুরুন
- মৌসুমে আমবাগান থেকে আম কিনুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- তাহখানা (১ কিমি)
- দারাসবাড়ি মসজিদ (২ কিমি)
- খনিয়াদিঘি মসজিদ (৩ কিমি)
- সোনামসজিদ স্থলবন্দর (৩ কিমি)
- কানসাট আমবাজার (১৫ কিমি)
জেনে রাখুন
- তাহখানা ও দারাসবাড়ি একই এলাকায়—সকাল থেকে বের হন
- সোনামসজিদ স্থলবন্দর কাছেই
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।



