- সেরা সময়নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি
- ঢাকা থেকে~৪০০ কিমি · ৮–১০ ঘণ্টা (বাস) / ১ ঘণ্টা (বিমান)
- প্ল্যানে যোগ করুন
দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ; নীল পানি, নারিকেল গাছ আর ছেঁড়াদ্বীপ। পর্যটকদের জন্য মৌসুম ও সংখ্যা সরকারি নিয়মে সীমিত — যাওয়ার আগে নিয়ম দেখে নিন।
সমুদ্র
এক নজরে
- আয়তন
- প্রায় ৮ বর্গকিমি
- অবস্থান
- টেকনাফ থেকে প্রায় ৯ কিমি দক্ষিণে
- স্থানীয় নাম
- নারিকেল জিঞ্জিরা
- বিশেষত্ব
- দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ; পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA)
ইতিহাস ও বিস্তারিত
প্রায় ২৫০ বছর আগে আরব বণিকরা এই দ্বীপে থামতেন বলে জানা যায়, তাঁরা একে 'জাজিরা' বলতেন; নারিকেল গাছের প্রাচুর্যের জন্য পরে নাম হয় নারিকেল জিঞ্জিরা। ব্রিটিশ আমলে চট্টগ্রামের তৎকালীন জেলা প্রশাসক মার্টিনের নামে দ্বীপের নাম হয় সেন্টমার্টিন।
দ্বীপের চারপাশে প্রবাল, শৈবাল, রঙিন মাছ আর সামুদ্রিক কচ্ছপের ডিম পাড়ার জায়গা। দক্ষিণে জোয়ারে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া ছোট দ্বীপ ছেঁড়াদ্বীপ। হুমায়ূন আহমেদের বাড়ি 'সমুদ্র বিলাস' এখানে।
অতিরিক্ত পর্যটন ও নির্মাণে প্রবাল ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সরকার দ্বীপটিকে পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করেছে এবং পর্যটকের সংখ্যা, ভ্রমণের মাস ও রাত্রিযাপনে বিধিনিষেধ দিয়েছে। তাই যাওয়ার আগে সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা দেখা জরুরি।
যা যা করবেন
- ভাটার সময় ছেঁড়াদ্বীপ পর্যন্ত যান
- স্বচ্ছ পানিতে প্রবাল ও মাছ দেখুন (স্পর্শ না করে)
- দ্বীপের চারপাশে সাইকেল চালান
- রাতের আকাশে তারা দেখুন (রাত্রিযাপন অনুমোদিত হলে)
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- ছেঁড়াদ্বীপ (দ্বীপের দক্ষিণে)
- টেকনাফ ও শাহপরীর দ্বীপ (জাহাজঘাট)
- মাথিনের কূপ, টেকনাফ
২২ অক্টোবর ২০২৫-এর প্রজ্ঞাপন: নভেম্বরে দিনে গিয়ে দিনে ফেরা, ডিসেম্বর–জানুয়ারি রাত্রিযাপন, দিনে গড়ে সর্বোচ্চ ২,০০০ জন, ফেব্রুয়ারিতে বন্ধ। অক্টোবর ২০২৬-এ সরকার নিয়ম পুনর্বিবেচনা করছে, তাই যাওয়ার আগে সর্বশেষ নির্দেশনা দেখুন।
জেনে রাখুন
- যাওয়ার আগে পর্যটন মন্ত্রণালয়/জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ নির্দেশনা দেখুন
- প্লাস্টিক নিয়ে যাবেন না; প্রবাল ও কচ্ছপের ডিমে হাত দেবেন না
- ছেঁড়াদ্বীপে ভাটার সময় হেঁটে বা সাইকেলে যাওয়া যায়
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।






