- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~৩৩০ কিমি · ৭–৮ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
১৭৫২ সালে তৈরি; পোড়ামাটির টেরাকোটায় রামায়ণ-মহাভারতের দৃশ্য, দেশের সেরা টেরাকোটা মন্দির।
ঐতিহ্য
এক নজরে
- নির্মাণকাল
- ১৭০৪–১৭৫২
- নির্মাতা
- মহারাজা প্রাণনাথ রায় ও রামনাথ রায়
- রীতি
- নবরত্ন (চূড়াগুলো ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে ভেঙে যায়)
- টেরাকোটা
- প্রায় ১৫,০০০ ফলক
ইতিহাস ও বিস্তারিত
দিনাজপুরের মহারাজা প্রাণনাথ রায় ১৭০৪ সালে ঢেপা নদীর পাড়ে কান্তনগরে শ্রীকৃষ্ণ (কান্তজী) মন্দিরের নির্মাণ শুরু করেন। তাঁর মৃত্যুর পর দত্তক পুত্র রামনাথ রায় ১৭৫২ সালে কাজ শেষ করেন। তিনতলা মন্দিরটির ওপরে একসময় নয়টি অলংকৃত চূড়া (রত্ন) ছিল, যা ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে ধসে পড়ে।
মন্দিরের ভিত থেকে চূড়া পর্যন্ত প্রতিটি দেয়াল প্রায় ১৫,০০০ পোড়ামাটির ফলকে ঢাকা। ফলকগুলোতে রামায়ণ, মহাভারত, কৃষ্ণলীলা আর পুরাণের কাহিনি; সাথে তৎকালীন সমাজের শিকার, যুদ্ধ, নৌকা, হাতি-ঘোড়া, ইউরোপীয় পোশাক পরা মানুষ আর গ্রামীণ জীবনের ছবি—যেন আঠারো শতকের বাংলার একটি পোড়ামাটির বই।
এটিকে বাংলার টেরাকোটা শিল্পের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন ধরা হয়। প্রতি বছর কার্তিক মাসে রাস পূর্ণিমায় মন্দির ঘিরে মাসব্যাপী রাসমেলা বসে।
যা যা করবেন
- দেয়ালের ফলকে রামায়ণ-মহাভারতের দৃশ্য খুঁজে দেখুন
- সকালের নরম আলোয় টেরাকোটার ছবি তুলুন
- পাশের নয়াবাদ মসজিদে যান
- দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল ও লিচু (মৌসুমে) কিনুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- নয়াবাদ মসজিদ (১.৫ কিমি)
- রামসাগর জাতীয় উদ্যান (২০ কিমি)
- দিনাজপুর রাজবাড়ি (২০ কিমি)
- স্বপ্নপুরী (৫০ কিমি)
জেনে রাখুন
- ফলকগুলো কাছ থেকে দেখতে সকালের নরম আলোয় যান
- কাছেই নয়াবাদ মসজিদ
- দেয়ালে হাত দেবেন না—ফলক ক্ষয় হয়
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।




