- সেরা সময়জানুয়ারি
- ঢাকা থেকে~১৯০ কিমি · ৪–৫ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মভিটা, কপোতাক্ষ নদ আর জাদুঘর।
হাওর-নদীঐতিহ্য
এক নজরে
- জন্ম
- ২৫ জানুয়ারি ১৮২৪
- অবস্থান
- কেশবপুর, যশোর শহর থেকে প্রায় ৬০ কিমি
- নদী
- কপোতাক্ষ নদ
- মেলা
- মধুমেলা (জানুয়ারি)
ইতিহাস ও বিস্তারিত
মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি সাগরদাঁড়ির জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতার হিন্দু কলেজে পড়ার সময় তিনি ইংরেজি সাহিত্যে মুগ্ধ হয়ে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন এবং নামের আগে 'মাইকেল' যোগ করেন। প্রথমে ইংরেজিতে লিখলেও পরে মাতৃভাষায় ফিরে এসে বাংলা সাহিত্যে বিপ্লব ঘটান।
তিনি বাংলায় অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের প্রবর্তক; 'মেঘনাদবধ কাব্য' তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি। ফ্রান্সের ভার্সাইয়ে থাকার সময় শৈশবের নদী কপোতাক্ষের কথা মনে করে লেখেন বিখ্যাত সনেট 'কপোতাক্ষ নদ'। ১৮৭৩ সালে কলকাতায় তিনি দারিদ্র্যের মধ্যে মারা যান।
সাগরদাঁড়িতে তাঁর পৈতৃক বাড়ি এখন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের জাদুঘর; আছে তাঁর আবক্ষ মূর্তি, পারিবারিক মন্দির, কপোতাক্ষ পাড়ের 'বিদায় ঘাট' আর কাঠবাদাম গাছ। প্রতি বছর তাঁর জন্মদিন ঘিরে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা হয়।
যা যা করবেন
- জাদুঘরে মধুসূদনের ব্যবহৃত জিনিস দেখুন
- কপোতাক্ষের পাড়ে 'বিদায় ঘাট'-এ যান
- জানুয়ারিতে মধুমেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- কপোতাক্ষ নদ (পাশেই)
- ভরত রাজার দেউল, কেশবপুর (১৫ কিমি)
- যশোর শহর (৬০ কিমি)
জেনে রাখুন
- মধুমেলার সময় সপ্তাহব্যাপী সাংস্কৃতিক আয়োজন হয়
- কপোতাক্ষের পাড়ে 'বিদায় ঘাট' দেখুন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।

