• সেরা সময়সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল, মে
  • ঢাকা থেকে~২৩০ কিমি · ৪–৫ ঘণ্টা (পদ্মা সেতু হয়ে)
  • প্ল্যানে যোগ করুন
খুলনা জেলা · খুলনা বিভাগ

সুন্দরবন (খুলনা থেকে ট্যুর)

জনপ্রিয়

বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাস; লঞ্চে ৩ দিনের ট্যুর সবচেয়ে জনপ্রিয়।

বন-প্রকৃতি

ঘোরার সেরা সময়নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি (সাগর শান্ত, আবহাওয়া আরামদায়ক)
কতক্ষণ লাগবে৩ দিন ২ রাত (লঞ্চ প্যাকেজ)
আনুমানিক খরচপ্যাকেজ ট্যুরে জনপ্রতি ৮,০০০–২০,০০০৳ (লঞ্চ, খাওয়া, বন বিভাগের অনুমতি, গাইড, সশস্ত্র প্রহরী)

এক নজরে

আয়তন
প্রায় ১০,০০০ বর্গকিমি (বাংলাদেশে প্রায় ৬,০১৭ বর্গকিমি)
স্বীকৃতি
ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য (১৯৯৭), রামসার সাইট (১৯৯২)
বাঘ
২০২৪ সালের জরিপে প্রায় ১২৫টি
প্রবেশ নিষেধ
জুন–আগস্ট (প্রজনন মৌসুম)

ইতিহাস ও বিস্তারিত

সুন্দরবন গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার বদ্বীপে গড়ে ওঠা পৃথিবীর বৃহত্তম একক ম্যানগ্রোভ বন; এর প্রায় ৬০ শতাংশ বাংলাদেশে, বাকিটা ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। বনের নাম এসেছে এখানকার প্রধান গাছ 'সুন্দরী' থেকে বলে ধারণা। মুঘল আমলে বনের কিছু অংশ ইজারা দেওয়া হয়; ১৮৭৫ সালে ব্রিটিশ সরকার একে সংরক্ষিত বন ঘোষণা করে।

বনটি জোয়ার-ভাটায় প্লাবিত অসংখ্য নদী, খাল ও দ্বীপের জাল। এখানে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, লোনা পানির কুমির, ইরাবতী ও গাঙ্গেয় ডলফিন, মদনটাক, মাছরাঙাসহ তিন শতাধিক প্রজাতির পাখি আছে। বনজীবীরা—বাওয়ালি (গোলপাতা সংগ্রহকারী), মৌয়াল (মধু সংগ্রহকারী) ও জেলেরা—শত শত বছর ধরে এই বনের ওপর নির্ভরশীল; তাঁরা বাঘের হাত থেকে রক্ষা পেতে বনবিবির পূজা করেন।

সুন্দরবন ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে উপকূলকে রক্ষাকারী প্রাকৃতিক ঢাল; সিডর (২০০৭) ও আইলার (২০০৯) সময় এর ভূমিকা প্রমাণিত হয়েছে। খুলনা থেকে ৩ দিনের লঞ্চ ট্যুরে সাধারণত করমজল, হারবাড়িয়া, কটকা, কচিখালী, জামতলা সৈকত আর দুবলার চর ঘোরানো হয়।

যা যা করবেন

  • ভোরে ছোট নৌকায় খালের ভেতরে গিয়ে প্রাণী ও পাখি দেখুন
  • কটকার ওয়াচ টাওয়ার থেকে হরিণের পাল দেখুন
  • কচিখালীর ঘাসবনে বাঘের পায়ের ছাপ খুঁজুন (গাইডের সাথে)
  • রাতে লঞ্চের ছাদে বনের শব্দ শুনুন
  • নভেম্বরে দুবলার চরে রাস মেলা ও শুঁটকি পল্লী দেখুন

কাছাকাছি আরো যা দেখবেন

  • করমজল (মোংলা থেকে)
  • হারবাড়িয়া ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র
  • কটকা ও কচিখালী
  • দুবলার চর
  • হিরণ পয়েন্ট (নীলকমল)

জেনে রাখুন

  • সরকার অনুমোদিত ট্যুর অপারেটর বেছে নিন
  • বনে নামলে গাইড ও প্রহরী থেকে আলাদা হবেন না
  • জুন–আগস্ট মাছ ধরা ও পর্যটনে নিষেধাজ্ঞা থাকে—সময়সূচি দেখে নিন
  • প্লাস্টিক বনে ফেলবেন না

ম্যাপে অবস্থান

খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।

বিখ্যাত খাবার২টি

খুলনা জেলায় এলে যা না খেলেই নয়

জেলার তথ্য
মাংসচুইঝালের খাসি/গরুর মাংসসবচেয়ে বিখ্যাত
সামুদ্রিকগলদা চিংড়ি

বিখ্যাত পণ্য ও কেনাকাটা১টি

স্মৃতি হিসেবে বা প্রিয়জনের জন্য নিয়ে যান

জেলার তথ্য
খাদ্যপণ্যসুন্দরবনের মধু

থাকার জায়গা২টি

সুন্দরবন (খুলনা থেকে ট্যুর)-এর কাছে থাকার ব্যবস্থা

হোটেলট্যুর অপারেটরের লঞ্চেই থাকা-খাওয়া
হোটেলখুলনা শহরে হোটেল ক্যাসেল সালাম

কীভাবে যাবেন

সুন্দরবন (খুলনা থেকে ট্যুর) পৌঁছানোর পথ, ঢাকা থেকে যাতায়াত ও আনুমানিক ভাড়া

জেলার তথ্য
জায়গাটিতে পৌঁছানোখুলনা জেলখানা ঘাট থেকে ট্যুর অপারেটরের লঞ্চে (বন বিভাগের অনুমতি প্যাকেজে থাকে)।
যাত্রার ঘাঁটি: খুলনা জেলখানা ঘাটচলাচলের মৌসুম: সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল, মে — ১ জুন–৩১ আগস্ট সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশ বন্ধ (প্রজনন মৌসুম); বন বিভাগের অনুমতি লাগেমৌসুমের বাইরে যাওয়া যায় না
লঞ্চেপ্রায় ৮ ঘণ্টা · ভাড়া 6000 · ট্যুর অপারেটরের লঞ্চে; প্যাকেজে খাওয়া, থাকা ও বন বিভাগের অনুমতি থাকে (সাধারণত ৩ দিন ২ রাত, ভাড়া প্যাকেজের অর্ধেক ধরা হয়েছে)
বাসেগাবতলী/যাত্রাবাড়ী থেকে পদ্মা সেতু হয়ে গ্রীন লাইন, হানিফ, ঈগল, সোহাগ; নন-এসি ৬০০–৮০০৳, এসি ১,২০০–১,৬০০৳।
ট্রেনেকমলাপুর থেকে পদ্মা সেতু রেলপথে জাহানাবাদ/সুন্দরবন এক্সপ্রেস, ভাড়া ৪০০–১,২০০৳।
বিমানেযশোর বিমানবন্দর হয়ে; তারপর বাসে ১.৫ ঘণ্টা।
ঢাকা থেকে খুলনাপ্রায় ২৩০ কিমি · ৪–৫ ঘণ্টা (পদ্মা সেতু হয়ে)
গুগল ম্যাপে রাস্তা দেখুন

জেলার তথ্য খুলনা জেলার থানা, হাসপাতাল ও টুরিস্ট পুলিশ

জরুরি নম্বর · সুন্দরবন (খুলনা থেকে ট্যুর)

খুলনা-এর স্থানীয় থানা ও হাসপাতালের নম্বর এখনো যোগ হয়নি — বিপদে ৯৯৯-এ কল করুন।

খুলনা জেলার পুরো ভ্রমণ গাইড →

প্ল্যানে যোগ