- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~৬৪ কিমি · ২ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
সাতটি ভবন নিয়ে উনিশ শতকের বিশাল জমিদার প্রাসাদ, এখন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের জাদুঘর।
ঐতিহ্য
এক নজরে
- প্রতিষ্ঠা
- আঠারো শতকের মাঝামাঝি
- আয়তন
- প্রায় ১৬.৫ একর
- ভবন
- ৭টি প্রাসাদ, প্রায় ২০০ কক্ষ
- সময়সূচি
- রবিবার বন্ধ, সোমবার অর্ধদিবস
ইতিহাস ও বিস্তারিত
বালিয়াটি জমিদার বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোবিন্দরাম সাহা ছিলেন একজন লবণ ব্যবসায়ী। আঠারো শতকের মাঝামাঝি থেকে তাঁর উত্তরসূরিরা একে একে সাতটি প্রাসাদ নির্মাণ করেন, যার মধ্যে চারটি এখন মূল কমপ্লেক্সে টিকে আছে।
সামনের সারির প্রাসাদগুলোর করিন্থিয়ান স্তম্ভ ও ইউরোপীয় ধাঁচের সম্মুখভাগ অসাধারণ; পেছনে অন্দরমহল, রান্নাঘর ও বড় পুকুর। একটি প্রাসাদে এখন জাদুঘর, যেখানে জমিদারদের ব্যবহৃত আসবাব ও জিনিসপত্র দেখা যায়। জমিদার পরিবার ঢাকার জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) প্রতিষ্ঠাতেও ভূমিকা রাখে বলে জানা যায়।
১৯৮৭ সাল থেকে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর বাড়িটি রক্ষণাবেক্ষণ করছে; এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর সংরক্ষিত জমিদার বাড়িগুলোর একটি।
যা যা করবেন
- সামনের প্রাসাদের স্তম্ভ ও কারুকাজের ছবি তুলুন
- জাদুঘরে জমিদারদের ব্যবহৃত জিনিস দেখুন
- পেছনের অন্দরমহল ও পুকুরঘাট ঘুরুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- তেওতা জমিদার বাড়ি (৩৫ কিমি)
- আরিচা ঘাট (৩৫ কিমি)
- সাটুরিয়ার বালিয়াটি গ্রাম
জেনে রাখুন
- রবিবার বন্ধ, সোমবার অর্ধদিবস
- পেছনের পুকুরঘাট আর অন্দরমহল অবশ্যই দেখুন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।


