- সেরা সময়মার্চ–নভেম্বর
- ঢাকা থেকে~২০০ কিমি · ৪–৫ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
দিগন্তজোড়া সবুজ চা বাগান, চা জাদুঘর আর চা শ্রমিকদের জীবন।
চা-বাগান
এক নজরে
- উপাধি
- চায়ের রাজধানী
- চা বাগান
- উপজেলায় ৪০টির বেশি
- প্রতিষ্ঠান
- বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (১৯৫৭)
- সেরা সময়
- মার্চ–নভেম্বর
ইতিহাস ও বিস্তারিত
উনিশ শতকের মাঝামাঝি সিলেট অঞ্চলে বাণিজ্যিক চা চাষ শুরুর পর শ্রীমঙ্গলের টিলাময় ভূমি চা চাষের জন্য আদর্শ প্রমাণিত হয়। ব্রিটিশ কোম্পানিগুলো বিহার, উড়িষ্যা ও মধ্যপ্রদেশ থেকে শ্রমিক এনে বাগান গড়ে তোলে; আজকের চা শ্রমিক সম্প্রদায় তাঁদেরই উত্তরসূরি, যাঁদের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি আছে।
দেশের বেশিরভাগ চা উৎপন্ন হয় মৌলভীবাজার জেলায়, যার কেন্দ্রে শ্রীমঙ্গল। এখানে বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) আর চা বোর্ডের 'টি মিউজিয়াম' আছে, যেখানে চা শিল্পের পুরনো যন্ত্রপাতি ও দলিল দেখা যায়।
শ্রীমঙ্গলের আরেক আকর্ষণ নীলকণ্ঠ টি কেবিনের রমেশ রাম গৌড়ের উদ্ভাবিত স্তরে স্তরে সাত রঙের চা। চা বাগানের ভেতরের রাস্তা ধরে সাইকেল বা সিএনজিতে ঘোরা, আর রিসোর্টে থাকা—সব মিলিয়ে এটি দেশের প্রধান প্রকৃতি-পর্যটন কেন্দ্র।
যা যা করবেন
- নীলকণ্ঠ টি কেবিনে সাত রঙের চা খান
- চা জাদুঘর ও বিটিআরআই এলাকা ঘুরে দেখুন (অনুমতি সাপেক্ষে)
- সকালে চা পাতা তোলার দৃশ্য দেখুন
- চা বাগানের রিসোর্টে একরাত থাকুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান (৮ কিমি)
- বাইক্কা বিল (১৫ কিমি)
- মাধবপুর লেক (২০ কিমি)
- সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা (শহরের কাছে)
জেনে রাখুন
- চা বাগানে কাজের সময় শ্রমিকদের বিরক্ত করবেন না
- বিটিআরআই-এর ভেতরে প্রবেশে অনুমতি লাগে
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।






