মুন্সীগঞ্জ জেলা · ঢাকা বিভাগ

সোনারং জোড়া মঠ

পরিচিত

টঙ্গিবাড়ীতে পাশাপাশি দুটি উঁচু মঠ, বিক্রমপুরের পুরনো স্থাপত্যের নিদর্শন।

ঐতিহ্য

ঘোরার সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
কতক্ষণ লাগবে৩০–৪৫ মিনিট
আনুমানিক খরচপ্রবেশ বিনামূল্যে

ইতিহাস ও পরিচিতি

টঙ্গিবাড়ীর সোনারং গ্রামে পুকুরের পাড়ে পাশাপাশি দুটি উঁচু মঠ, বিক্রমপুরের স্থাপত্যের পরিচিত ছবি। বড়টি ১৮৪৩ সালে কালী মন্দির হিসেবে, ছোটটি পরে শিব মন্দির হিসেবে তৈরি হয় বলে ইতিহাসবিদদের মত। পুকুরের পানিতে দুই মঠের প্রতিবিম্ব পড়লে ছবি তোলার জন্য দারুণ। মুন্সিগঞ্জ শহর থেকে সিএনজিতে আধঘণ্টার মতো। পশ্চিমের মন্দিরটি পূর্বেরটির চেয়ে উঁচু, প্রায় ১৫ মিটার।

জেনে রাখুন

  • বিকেলের আলোয় পুকুরের অপর পাড় থেকে ছবি তুলুন
  • মঠে ওঠার চেষ্টা করবেন না

ম্যাপে অবস্থান

খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।

বিখ্যাত খাবার২টি

মুন্সীগঞ্জ জেলায় এলে যা না খেলেই নয়

জেলার তথ্য
ভাজামাওয়া ঘাটের ইলিশ ভাজা
মিষ্টিবিক্রমপুরের ভাগ্যকুলের মিষ্টি

বিখ্যাত পণ্য ও কেনাকাটা২টি

স্মৃতি হিসেবে বা প্রিয়জনের জন্য নিয়ে যান

জেলার তথ্য
কেনাকাটাভাগ্যকুলের মিষ্টি
কেনাকাটামুন্সিগঞ্জের আলু

থাকার জায়গা১টি

মুন্সীগঞ্জ জেলা শহর আর জনপ্রিয় স্পটের আশেপাশে

জেলার তথ্য
বাজেটসাধারণত দিনে গিয়ে দিনে ফেরা

কীভাবে যাবেন

সোনারং জোড়া মঠ পৌঁছানোর পথ, ঢাকা থেকে যাতায়াত ও আনুমানিক ভাড়া

জেলার তথ্য
জায়গাটিতে পৌঁছানোমুন্সিগঞ্জ শহর থেকে সিএনজিতে প্রায় ১৫ কিমি।
বাসেগুলিস্তান থেকে মাওয়া বা মুন্সিগঞ্জগামী বাস, ভাড়া ৭০–১৫০৳।
লঞ্চেসদরঘাট থেকে মুন্সিগঞ্জের লঞ্চ, ভাড়া ৫০–১০০৳।
ঢাকা থেকে মুন্সীগঞ্জপ্রায় ২৭ কিমি · ১–১.৫ ঘণ্টা · নিকটতম রেল: পদ্মা সেতু রেলপথের মাওয়া স্টেশন (আনুমানিক)
গুগল ম্যাপে রাস্তা দেখুন

জেলার তথ্য মুন্সীগঞ্জ জেলার থানা, হাসপাতাল ও টুরিস্ট পুলিশ

জরুরি নম্বর · সোনারং জোড়া মঠ

মুন্সীগঞ্জ-এর স্থানীয় থানা ও হাসপাতালের নম্বর এখনো যোগ হয়নি — বিপদে ৯৯৯-এ কল করুন।

মুন্সীগঞ্জ জেলার পুরো ভ্রমণ গাইড →

প্ল্যানে যোগ