- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~২৫০ কিমি · ৫–৬ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
অষ্টম শতকের সোমপুর মহাবিহার; দক্ষিণ হিমালয়ের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ বিহার, ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য।
ঐতিহ্য
এক নজরে
- প্রাচীন নাম
- সোমপুর মহাবিহার
- নির্মাতা
- পাল রাজা ধর্মপাল (৭৮১–৮২১)
- আয়তন
- প্রায় ২৭ একর; ২৮১ × ২৮১ মিটার বর্গাকার
- স্বীকৃতি
- ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য (১৯৮৫)
ইতিহাস ও বিস্তারিত
অষ্টম শতকের শেষভাগে পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল এই মহাবিহার নির্মাণ করেন। প্রায় ৩০০ বছর এটি বৌদ্ধ ধর্ম ও শিক্ষার একটি আন্তর্জাতিক কেন্দ্র ছিল; চীন, তিব্বত, মিয়ানমার থেকে ভিক্ষুরা এখানে পড়তে আসতেন। তিব্বতি গ্রন্থে এর উল্লেখ আছে, আর বিখ্যাত পণ্ডিত অতীশ দীপঙ্কর এখানে কিছু সময় কাটান বলে ধারণা করা হয়।
বর্গাকার বিহারের চার বাহুতে মোট ১৭৭টি ভিক্ষুকক্ষ, আর মাঝখানে প্রায় ২১ মিটার উঁচু ক্রুশাকৃতি কেন্দ্রীয় মন্দির, যার স্থাপত্য পরে মিয়ানমার, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মন্দিরকে প্রভাবিত করেছে বলে মনে করা হয়। মন্দিরের দেয়ালজুড়ে প্রায় ২,০০০ পোড়ামাটির ফলক আর ৬৩টি পাথরের মূর্তি—যেখানে পশুপাখি, লোকজীবন আর দেবদেবীর ছবি।
দ্বাদশ শতকের পর বিহারটি পরিত্যক্ত হয়ে মাটির নিচে চাপা পড়ে পাহাড়ের মতো দেখাত—সেখান থেকে নাম পাহাড়পুর। ১৮০৭–১২ সালে বুকানন হ্যামিল্টন প্রথম এটি পরিদর্শন করেন; ১৯২৩ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে খনন হয়। ১৯৮৫ সালে এটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষিত হয়।
যা যা করবেন
- কেন্দ্রীয় মন্দিরের চারপাশে পোড়ামাটির ফলক খুঁজে দেখুন
- ভিক্ষুকক্ষগুলোর সারি ধরে হাঁটুন
- পাহাড়পুর জাদুঘরে খননে পাওয়া নিদর্শন দেখুন
- কাছের সত্যপীরের ভিটা ঘুরুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- সত্যপীরের ভিটা (০.৫ কিমি)
- জগদ্দল বিহার (২৫ কিমি)
- হলুদ বিহার (১৫ কিমি)
- জয়পুরহাট (১৫ কিমি)
জেনে রাখুন
- রবিবার বন্ধ, সোমবার অর্ধদিবস
- দেয়ালের পোড়ামাটির ফলকে পশুপাখি ও দৈনন্দিন জীবনের দৃশ্য খুঁজে দেখুন
- সত্যপীরের ভিটা ও জাদুঘরও দেখুন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।




