- সেরা সময়নভেম্বর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~১৬০ কিমি · ৪–৫ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
সাদা-গোলাপি চীনামাটির টিলা আর নীলচে-সবুজ পানির লেক।
পাহাড়হাওর-নদী
এক নজরে
- অবস্থান
- বিজয়পুর, দুর্গাপুর উপজেলা
- খনিজ
- সাদা মাটি (চীনামাটি/কেওলিন)
- বৈশিষ্ট্য
- সাদা-গোলাপি টিলা ও নীলচে-সবুজ লেক
- সেরা সময়
- নভেম্বর–মার্চ
ইতিহাস ও বিস্তারিত
দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুরে মাটির নিচে সাদা মাটির (কেওলিন বা চীনামাটি) বড় মজুদ আছে, যা সিরামিক শিল্পের কাঁচামাল। ১৯৫৭ সাল থেকে এখানে সাদা মাটি উত্তোলন শুরু হয়। দশকের পর দশক মাটি তোলার ফলে টিলাগুলো কেটে তৈরি হয়েছে গভীর খাদ, যাতে বৃষ্টির পানি জমে নীলচে-সবুজ লেকের সৃষ্টি হয়েছে।
খনিজের প্রভাবে টিলার গায়ে সাদা, গোলাপি, হলুদ আর ধূসর রঙের স্তর দেখা যায়—আর নিচে স্বচ্ছ রঙিন পানি। এই দৃশ্যই এখন বিরিশিরি ভ্রমণের প্রধান আকর্ষণ।
বিরিশিরিতে ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কালচারাল একাডেমি গারো, হাজং ও অন্যান্য জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি সংরক্ষণে কাজ করে। কাছেই সুসং দুর্গাপুরের জমিদার বাড়ি, টংক আন্দোলনের স্মৃতিস্তম্ভ, রাণীখং মিশন আর সোমেশ্বরী নদী—সব মিলিয়ে দুই দিনের চমৎকার ভ্রমণ।
যা যা করবেন
- লেকের পাড়ে দাঁড়িয়ে রঙিন টিলার ছবি তুলুন
- সোমেশ্বরী নদী পার হয়ে রাণীখং মিশনে যান
- কালচারাল একাডেমিতে গারো সংস্কৃতির নিদর্শন দেখুন
- হাজং মাতা রাশিমণি স্মৃতিসৌধে যান
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- সোমেশ্বরী নদী (৩ কিমি)
- রাণীখং মিশন (৬ কিমি)
- সুসং দুর্গাপুর জমিদার বাড়ি (২ কিমি)
- কমলা রানির দিঘি (৫ কিমি)
জেনে রাখুন
- লেকের পাড়ের মাটি ভঙ্গুর—কিনারায় যাবেন না
- সোমেশ্বরী, রাণীখং ও হাজং স্মৃতিসৌধ একসাথে ঘোরা যায়
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।

