• সেরা সময়নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি
  • ঢাকা থেকে~১৭০ কিমি · ৪–৫ ঘণ্টা
  • প্ল্যানে যোগ করুন
নোয়াখালী জেলা · চট্টগ্রাম বিভাগ

নিঝুম দ্বীপ

জনপ্রিয়

মেঘনার মোহনায় দ্বীপ; কেওড়া বনে দলবদ্ধ চিত্রা হরিণ আর নির্জন সৈকত।

সমুদ্রবন-প্রকৃতি

ঘোরার সেরা সময়নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি (হরিণ ও পরিযায়ী পাখি দেখার সেরা সময়; সাগর শান্ত)
কতক্ষণ লাগবে২–৩ দিন (ঢাকা থেকে যাওয়া-আসাসহ)
আনুমানিক খরচঢাকা থেকে জনপ্রতি ৫,০০০–১০,০০০৳ (লঞ্চ কেবিন, থাকা, খাওয়া, স্থানীয় যাতায়াত); নৌকায় চৌধুরীর খাল/কবিরাজের চর ঘোরা ১,৫০০–২,৫০০৳

এক নজরে

আয়তন
প্রায় ১৬৩ বর্গকিমি (আশপাশের চরসহ)
জাতীয় উদ্যান
২০০১ সালে ঘোষিত
হরিণ
১৯৭৮ সালে ৪ জোড়া চিত্রা হরিণ ছাড়া হয়
অবস্থান
হাতিয়া উপজেলা, মেঘনার মোহনা

ইতিহাস ও বিস্তারিত

নিঝুম দ্বীপ মেঘনার মোহনায় ১৯৪০–৫০-এর দশকে পলি জমে জেগে ওঠা একগুচ্ছ চর নিয়ে গঠিত—বল্লারচর, কামলার চর, চর ওসমান, চর মুরি ইত্যাদি। জেলেরা প্রথমে এখানে বসতি শুরু করেন। ১৯৭০-এর দশকে সাবেক মন্ত্রী আমিরুল ইসলাম কালাম দ্বীপটির নির্জনতা দেখে এর নাম দেন 'নিঝুম দ্বীপ'।

১৯৭০-এর দশকে বন বিভাগ এখানে কেওড়া, গেওয়া ও বাইন গাছের উপকূলীয় বন সৃষ্টি করে। ১৯৭৮ সালে পরীক্ষামূলকভাবে চার জোড়া চিত্রা হরিণ ছাড়া হয়; অনুকূল পরিবেশে সংখ্যা বেড়ে এখন কয়েক হাজারে দাঁড়িয়েছে বলে ধারণা করা হয়। ২০০১ সালে দ্বীপটি জাতীয় উদ্যান ঘোষিত হয়।

শীতে এখানে সাইবেরিয়া ও হিমালয় অঞ্চল থেকে হাজারো পরিযায়ী পাখি আসে। চৌধুরীর খাল, কবিরাজের চর আর নামার বাজার সৈকত হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় জায়গা। বিদ্যুৎ, নেটওয়ার্ক ও আধুনিক সুবিধা সীমিত—এই নির্জনতাই দ্বীপটির আসল আকর্ষণ।

যা যা করবেন

  • ভোরে বা বিকেলে নৌকায় চৌধুরীর খালে গিয়ে হরিণের পাল দেখুন
  • নামার বাজার সৈকতে সূর্যাস্ত দেখুন
  • শীতে কবিরাজের চরে পরিযায়ী পাখি দেখুন
  • স্থানীয় জেলেদের সাথে মাছ ধরার দৃশ্য দেখুন
  • রাতে তারাভরা আকাশ উপভোগ করুন

কাছাকাছি আরো যা দেখবেন

  • চৌধুরীর খাল ও কবিরাজের চর (নৌকায়)
  • কমলার দ্বীপ
  • হাতিয়ার মোক্তারিয়া ঘাট
  • হাতিয়া দ্বীপের কমলার দিঘি

জেনে রাখুন

  • হরিণ দেখতে ভোরে বা সন্ধ্যার আগে চৌধুরীর খাল বা কবিরাজের চরে নৌকায় যান
  • সদরঘাট থেকে হাতিয়ার তমরদ্দি ঘাটগামী লঞ্চ সাধারণত বিকেলে ছাড়ে—কেবিন আগে বুক করুন
  • দ্বীপে বিদ্যুৎ সীমিত (সোলার/জেনারেটর)—পাওয়ার ব্যাংক সাথে রাখুন
  • এটিএম নেই বললেই চলে—পর্যাপ্ত নগদ টাকা নিন
  • বর্ষায় (জুন–সেপ্টেম্বর) মেঘনা উত্তাল থাকে—এ সময় যাত্রা এড়িয়ে চলুন

ম্যাপে অবস্থান

খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।

বিখ্যাত খাবার২টি

নোয়াখালী জেলায় এলে যা না খেলেই নয়

জেলার তথ্য
মিষ্টিনোয়াখালীর নারিকেলের নাড়ু
দইমহিষের দই

বিখ্যাত পণ্য ও কেনাকাটা২টি

স্মৃতি হিসেবে বা প্রিয়জনের জন্য নিয়ে যান

জেলার তথ্য
কেনাকাটানারিকেলের নাড়ু
কেনাকাটামহিষের দই

থাকার জায়গা২টি

নিঝুম দ্বীপ-এর কাছে থাকার ব্যবস্থা

রিসোর্টনিঝুম রিসোর্টঅবকাশ পর্যটন লিমিটেড
ইকো / কটেজনামার বাজারে কয়েকটি সাধারণ মানের হোটেল ও কটেজ৳১,০০০–৩,০০০

কীভাবে যাবেন

নিঝুম দ্বীপ পৌঁছানোর পথ, ঢাকা থেকে যাতায়াত ও আনুমানিক ভাড়া

জেলার তথ্য
জায়গাটিতে পৌঁছানোহাতিয়া থেকে মোক্তারিয়া ঘাট পার হয়ে দ্বীপে; বা সদরঘাট থেকে তমরদ্দির লঞ্চ।
যাত্রার ঘাঁটি: চেয়ারম্যান ঘাটচলাচলের মৌসুম: নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি — নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি হরিণ ও পাখি; বর্ষায় সাগর উত্তাল, নৌযান বন্ধ থাকতে পারে
সড়কপথেপ্রায় ১.৫ ঘণ্টা · ভাড়া 400 · সি-ট্রাক/স্পিডবোটে হাতিয়ার নলচিরা ঘাট
শহরের ভেতরেপ্রায় ১.৫ ঘণ্টা · ভাড়া 400 · মোটরসাইকেলে হাতিয়ার মোক্তারিয়া ঘাট
সড়কপথেপ্রায় ০.৫ ঘণ্টা · ভাড়া 50 · ট্রলারে চ্যানেল পার হয়ে নিঝুম দ্বীপ
বাসেসায়েদাবাদ থেকে একুশে, হিমাচল, সুগন্ধা; ভাড়া ৪০০–৬০০৳।
ট্রেনেকমলাপুর থেকে উপকূল এক্সপ্রেস (নোয়াখালী), ভাড়া ২৫০–৫৫০৳।
লঞ্চেনিঝুম দ্বীপ যেতে সদরঘাট থেকে হাতিয়ার তমরদ্দির লঞ্চ (সারারাত)।
ঢাকা থেকে নোয়াখালীপ্রায় ১৭০ কিমি · ৪–৫ ঘণ্টা
গুগল ম্যাপে রাস্তা দেখুন

জেলার তথ্য নোয়াখালী জেলার থানা, হাসপাতাল ও টুরিস্ট পুলিশ

জরুরি নম্বর · নিঝুম দ্বীপ

নোয়াখালী-এর স্থানীয় থানা ও হাসপাতালের নম্বর এখনো যোগ হয়নি — বিপদে ৯৯৯-এ কল করুন।

নোয়াখালী জেলার পুরো ভ্রমণ গাইড →

প্ল্যানে যোগ