- সেরা সময়নভেম্বর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~২৭০ কিমি · ৬–৭ ঘণ্টা (কুয়াকাটা পর্যন্ত)
- প্ল্যানে যোগ করুন
প্রায় ১৮ কিমি লম্বা সৈকত; একই জায়গা থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত।
সমুদ্র
এক নজরে
- দৈর্ঘ্য
- প্রায় ১৮ কিমি
- বিশেষত্ব
- একই স্থান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত
- অবস্থান
- কলাপাড়া উপজেলা
- উপাধি
- সাগরকন্যা
ইতিহাস ও বিস্তারিত
কুয়াকাটার নামের পেছনে রাখাইন জনগোষ্ঠীর ইতিহাস জড়িয়ে আছে। আঠারো শতকের শেষভাগে আরাকান (মিয়ানমার) থেকে রাজনৈতিক কারণে বিতাড়িত রাখাইনরা নৌকায় করে এই উপকূলে এসে বসতি গড়েন। মিঠা পানির অভাব মেটাতে তাঁরা এখানে কুয়া খনন করেন—সেখান থেকেই নাম 'কুয়াকাটা'। সেই প্রাচীন কুয়াটি এখনো রাখাইন পল্লীর বৌদ্ধ মন্দিরের পাশে সংরক্ষিত।
প্রায় ১৮ কিমি দীর্ঘ সৈকতটির অবস্থান এমন যে এখান থেকে বঙ্গোপসাগরে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত দুটোই দেখা যায়; দক্ষিণ এশিয়ায় খুব কম জায়গায় এমনটা সম্ভব। এজন্য একে 'সাগরকন্যা' বলা হয়।
২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডরে এলাকাটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়; সৈকতের ঝাউবন ও নারিকেল বাগানের বড় অংশ ভাঙনে হারিয়ে গেছে। পদ্মা সেতু চালুর পর ঢাকা থেকে মাত্র ৫–৬ ঘণ্টায় সরাসরি বাসে যাওয়া যায়, তাই পর্যটক বহুগুণ বেড়েছে।
যা যা করবেন
- ভোরে গঙ্গামতির চরে সূর্যোদয় দেখুন
- বিকেলে পশ্চিম সৈকত বা লেবুর চরে সূর্যাস্ত দেখুন
- রাখাইন পল্লীর কুয়া ও বৌদ্ধ মন্দির দেখুন
- মোটরসাইকেলে সৈকত ধরে সব স্পট ঘুরুন
- কাঁকড়া ও সামুদ্রিক মাছ ফ্রাই খান
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- গঙ্গামতির চর (১০ কিমি)
- ফাতরার চর (ট্রলারে ১ ঘণ্টা)
- মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ বিহার (৮ কিমি)
- লেবুর চর (৬ কিমি)
- শুঁটকি পল্লী ও ঝিনুক বাজার
জেনে রাখুন
- সূর্যোদয় দেখতে গঙ্গামতির চর, সূর্যাস্ত দেখতে লেবুর চর বা পশ্চিম সৈকতে যান
- সাঁতারের সময় গভীরে যাবেন না
- রাখাইন পল্লী থেকে হাতে বোনা কাপড় কিনুন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।
