- সেরা সময়জুলাই–ডিসেম্বর
- ঢাকা থেকে~৩১০ কিমি · ৭–৮ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
পাহাড়ে ঘেরা দেশের সবচেয়ে বড় কৃত্রিম লেক; নৌকায় সারাদিন ঘোরা যায়।
হাওর-নদীপাহাড়
এক নজরে
- আয়তন
- প্রায় ৭০০ বর্গকিমি (বর্ষায়)
- তৈরি
- কাপ্তাই বাঁধ, ১৯৬১–৬২ সালে সম্পন্ন
- উদ্দেশ্য
- কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র
- স্বীকৃতি
- দেশের বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ
ইতিহাস ও বিস্তারিত
১৯৫৬ সালে কর্ণফুলী নদীতে কাপ্তাই বাঁধের নির্মাণ শুরু হয় এবং ১৯৬১–৬২ সালে শেষ হয়; এতে কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হয়, যা এখনো দেশের একমাত্র বড় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। বাঁধের পেছনে পানি জমে তৈরি হয় বিশাল কাপ্তাই হ্রদ।
এই হ্রদের নিচে তলিয়ে যায় পুরনো রাঙ্গামাটি শহর, চাকমা রাজার রাজবাড়ি এবং প্রায় ৫৪,০০০ একর চাষের জমি; প্রায় এক লাখ মানুষ, যাদের বড় অংশ চাকমা জনগোষ্ঠীর, বাস্তুচ্যুত হন। এই ইতিহাস পার্বত্য চট্টগ্রামের সমাজ ও রাজনীতিতে দীর্ঘ প্রভাব ফেলেছে।
আজ লেকটি রাঙ্গামাটির পর্যটনের প্রাণ। নৌকায় করে পাহাড়ের মাঝে ঘুরে শুভলং ঝর্ণা, রাজবন বিহার, পেদা টিং টিং, টুক টুক ইকো ভিলেজের মতো জায়গা দেখা যায়। লেক থেকে ধরা মাছ স্থানীয় বাজারের প্রধান সম্পদ।
যা যা করবেন
- সারাদিনের নৌকা রিজার্ভ করে শুভলং পর্যন্ত যান
- লেকের মাঝের রেস্তোরাঁয় ব্যাম্বু চিকেন খান
- সূর্যাস্তে ঝুলন্ত সেতুর কাছ থেকে লেক দেখুন
- রাজবন বিহারে যান
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- ঝুলন্ত সেতু
- শুভলং ঝর্ণা (নৌকায় ১.৫ ঘণ্টা)
- রাজবন বিহার
- কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান (সড়কপথে)
জেনে রাখুন
- শুভলং, রাজবন বিহার, পেদা টিং টিং একসাথে নৌকায় ঘোরা যায়
- লাইফ জ্যাকেট সাথে রাখুন
- লেকের মাঝের রেস্তোরাঁয় পাহাড়ি খাবার খেয়ে দেখুন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।





