- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~৩০০ কিমি · ৬–৭ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
সাদা মার্বেলের সিঁড়িসহ সুন্দর প্রাসাদ, এখন রংপুর জাদুঘর।
ঐতিহ্য
এক নজরে
- নির্মাণ
- বিশ শতকের শুরু (১৯০৮–১৯১৭ সময়কাল বলে ধারণা)
- নির্মাতা
- মহারাজা কুমার গোপাল লাল রায়
- জাদুঘর
- ২০০৫ সাল থেকে রংপুর জাদুঘর
- সময়সূচি
- রবিবার বন্ধ, সোমবার অর্ধদিবস
ইতিহাস ও বিস্তারিত
তাজহাট জমিদার বংশের প্রতিষ্ঠাতা মান্না লাল রায় পাঞ্জাব থেকে এসে রংপুরে রত্ন ব্যবসা শুরু করেন বলে জানা যায়; তাঁর বিখ্যাত রত্নখচিত 'তাজ' থেকে এলাকার নাম হয় তাজহাট। তাঁর বংশধর মহারাজা কুমার গোপাল লাল রায় বিশ শতকের শুরুতে প্রায় ২,০০০ রাজমিস্ত্রি দিয়ে বর্তমান প্রাসাদটি নির্মাণ করেন।
চারতলা সমান উঁচু প্রাসাদের সামনে ইতালীয় সাদা মার্বেলের চওড়া সিঁড়ি, মাঝখানে গম্বুজ আর দুই পাশে লম্বা বারান্দা—ইতালীয় রেনেসাঁ স্থাপত্যের আদল। ভেতরে কাঠের ঘোরানো সিঁড়ি, যা সাধারণত দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ থাকে।
১৯৮৪ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত এখানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রংপুর বেঞ্চ বসত। ২০০৫ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এটিকে রংপুর জাদুঘরে রূপান্তর করে; এখানে সংস্কৃত ও আরবি পাণ্ডুলিপি, পোড়ামাটির ফলক আর মুঘল আমলের নিদর্শন আছে।
যা যা করবেন
- সামনের মার্বেলের সিঁড়ি আর পুকুরসহ প্রাসাদের ছবি তুলুন
- জাদুঘরে পাণ্ডুলিপি ও টেরাকোটা দেখুন
- রংপুরের শতরঞ্জি কিনুন (নিসবেতগঞ্জ)
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- কারমাইকেল কলেজ (৩ কিমি)
- পায়রাবন্দে বেগম রোকেয়া স্মৃতি কেন্দ্র (১৫ কিমি)
- নিসবেতগঞ্জ শতরঞ্জি পল্লী (৫ কিমি)
- ভিন্নজগত (১৫ কিমি)
জেনে রাখুন
- রবিবার বন্ধ, সোমবার অর্ধদিবস
- প্রাসাদের সামনের পুকুর থেকে প্রতিবিম্বসহ ছবি তুলুন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।


