- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~১৪০ কিমি · ৩–৩.৫ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
প্রায় ৫ কিমি লম্বা সেতু আর পশ্চিম প্রান্তের সবুজ ইকো পার্ক।
হাওর-নদীবন-প্রকৃতি
এক নজরে
- দৈর্ঘ্য
- প্রায় ৪.৮ কিমি
- উদ্বোধন
- ২৩ জুন ১৯৯৮
- সংযোগ
- সড়ক, রেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ লাইন
- নতুন রেলসেতু
- যমুনা রেলসেতু (২০২৫ সালে চালু)
ইতিহাস ও বিস্তারিত
দেশের পূর্ব ও পশ্চিম অংশকে সরাসরি যুক্ত করার স্বপ্ন দীর্ঘদিনের। ১৯৯৪ সালে বিশ্বব্যাংক, এডিবি ও জাপানের সহায়তায় যমুনা বহুমুখী সেতুর নির্মাণ শুরু হয় এবং ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন উদ্বোধন হয় (নির্মাণকালীন নাম বঙ্গবন্ধু সেতু)। চালুর সময় এটি দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম সেতুগুলোর একটি ছিল।
সেতুটি সড়ক ও রেলের পাশাপাশি গ্যাস ও বিদ্যুৎ লাইনও বহন করে, যা উত্তরবঙ্গের অর্থনীতি বদলে দিয়েছে। পরে ভারী ট্রেন চলাচলের জন্য পাশে আলাদা যমুনা রেলসেতু নির্মিত হয়।
সেতুর পশ্চিম প্রান্তে সিরাজগঞ্জে ইকো পার্ক আর পূর্ব প্রান্তে টাঙ্গাইলে যমুনা রিসোর্ট ও পার্ক। নদীর পাড় থেকে সূর্যাস্তের সময় সেতুর দীর্ঘ সারির দৃশ্য দেখার মতো।
যা যা করবেন
- ইকো পার্কে নদীর পাড়ে বিকেল কাটান
- সূর্যাস্তে সেতুর ছবি তুলুন
- নৌকায় যমুনার চরে ঘুরে আসুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- যমুনা রিসোর্ট, পূর্ব প্রান্ত (টাঙ্গাইল)
- হাটিকুমরুল নবরত্ন মন্দির (২০ কিমি)
- সিরাজগঞ্জ শহরের হার্ড পয়েন্ট (১৫ কিমি)
জেনে রাখুন
- সেতুর ওপর গাড়ি থামানো নিষেধ
- নদীর পাড় থেকে সূর্যাস্তে সেতুর ছবি তুলুন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।


