- সেরা সময়জুন, জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি
- ঢাকা থেকে~৩০০ কিমি · ৬–৭ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
রামসার সাইট; বর্ষায় সাগরের মতো পানি, হিজল-করচ বন আর শীতে পরিযায়ী পাখি।
হাওর-নদী
এক নজরে
- আয়তন
- প্রায় ১০০ বর্গকিমি (বর্ষায় আরো বড়)
- স্বীকৃতি
- রামসার সাইট (২০০০)
- অবস্থান
- তাহিরপুর ও ধর্মপাশা
- পাখি
- শীতে ২০০+ প্রজাতি
ইতিহাস ও বিস্তারিত
টাঙ্গুয়ার হাওর মেঘালয়ের পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত দেশের অন্যতম বড় মিঠাপানির জলাভূমি। প্রায় ৪৬টি গ্রাম আর ছোট-বড় শতাধিক বিল নিয়ে এটি গঠিত। স্থানীয়রা একে 'নয় কুড়ি কান্দা, ছয় কুড়ি বিল' বলে বর্ণনা করেন।
১৯৯৯ সালে সরকার একে পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে, আর ২০০০ সালে এটি সুন্দরবনের পর দেশের দ্বিতীয় রামসার সাইট (আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি) হিসেবে স্বীকৃতি পায়। একসময় মাছ ধরার ইজারা প্রথায় হাওরের প্রাকৃতিক সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়; পরে সমাজভিত্তিক ব্যবস্থাপনা চালু হয়।
বর্ষায় হাওর সাগরের মতো বিশাল হয়ে যায়, হিজল-করচ বন পানিতে ডুবে থাকে; শীতে পানি কমে গেলে লাখো পরিযায়ী পাখি আসে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কাঠের হাউসবোটে হাওরে রাত কাটানো দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভ্রমণ অভিজ্ঞতাগুলোর একটি হয়ে উঠেছে।
যা যা করবেন
- হাউসবোটে এক রাত কাটান
- ওয়াচ টাওয়ারের কাছে হিজল বনে লাইফ জ্যাকেট পরে সাঁতার কাটুন
- শীতে পরিযায়ী পাখি দেখুন
- টেকেরঘাট থেকে নীলাদ্রি লেক, বারিক্কা টিলা ও শিমুল বাগান একসাথে ঘুরুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- নীলাদ্রি লেক, টেকেরঘাট
- বারিক্কা টিলা ও যাদুকাটা নদী
- শিমুল বাগান
- লাকমাছড়া (টেকেরঘাটের কাছে)
জেনে রাখুন
- ওয়াচ টাওয়ারের কাছে হিজল বনে সাঁতার কাটা যায়—লাইফ জ্যাকেট বাধ্যতামূলক
- প্লাস্টিক ও ময়লা হাওরে ফেলবেন না
- মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বল—পরিবারকে আগে জানিয়ে রাখুন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।





