- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~২০০ কিমি · ৪–৫ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
বেহুলা-লখিন্দরের লোককথার সাথে জড়িত প্রাচীন ইটের স্থাপনা।
ঐতিহ্য
এক নজরে
- সময়কাল
- আনুমানিক ষষ্ঠ-সপ্তম শতক
- কক্ষ
- ১৭২টি খোপ
- খনন
- ১৯৩৪–৩৬ সালে
- অবস্থান
- মহাস্থানগড় থেকে ২ কিমি দক্ষিণে
ইতিহাস ও বিস্তারিত
গোকুল গ্রামের এই উঁচু ইটের স্থাপনাটি স্থানীয়দের কাছে 'বেহুলার বাসরঘর' নামে পরিচিত। মনসামঙ্গল কাব্যের কাহিনি অনুযায়ী চাঁদ সওদাগরের ছেলে লখিন্দর আর তাঁর স্ত্রী বেহুলার বাসরঘর ছিল এটি, যেখানে দেবী মনসার পাঠানো সাপের কামড়ে লখিন্দরের মৃত্যু হয়; বেহুলা স্বামীর লাশ নিয়ে ভেলায় ভেসে স্বর্গে গিয়ে তাঁর প্রাণ ফিরিয়ে আনেন।
১৯৩৪–৩৬ সালের খননে প্রত্নতাত্ত্বিকরা দেখেন, এটি আসলে ধাপে ধাপে উঁচু করা একটি ভিত, যাতে ১৭২টি খোপ বা কুঠুরি। অনেকের মতে এটি গুপ্ত বা পাল আমলের একটি বৌদ্ধ স্তূপ বা মন্দির; আবার কেউ মনে করেন এটি পুণ্ড্রনগর রক্ষার পর্যবেক্ষণ স্তম্ভ ছিল।
যা যা করবেন
- স্থাপনার ওপরে উঠে চারপাশের গ্রাম দেখুন
- ১৭২টি খোপের নকশা খুঁটিয়ে দেখুন
- মহাস্থানগড়ের সাথে একই দিনে ঘুরুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- মহাস্থানগড় (২ কিমি)
- ভাসু বিহার (৮ কিমি)
- বগুড়া শহর (১১ কিমি)
জেনে রাখুন
- ওপরে উঠে চারপাশের গ্রামের দৃশ্য দেখুন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।



