বগুড়া জেলা · রাজশাহী বিভাগ

মহাস্থানগড়

জনপ্রিয়

খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকের পুণ্ড্রনগর; দেশের প্রাচীনতম নগরের ধ্বংসাবশেষ ও জাদুঘর।

ঐতিহ্য

ঘোরার সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
কতক্ষণ লাগবে২–৩ ঘণ্টা
আনুমানিক খরচজাদুঘরে সামান্য প্রবেশ ফি

এক নজরে

প্রাচীন নাম
পুণ্ড্রনগর
সময়কাল
খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতক থেকে প্রায় পনেরো শতক
দুর্গ
প্রায় ১,৫২৩ × ১,৩৭০ মিটার প্রাচীর
জাদুঘর সময়সূচি
রবিবার বন্ধ, সোমবার অর্ধদিবস

ইতিহাস ও বিস্তারিত

মহাস্থানগড় বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরীর ধ্বংসাবশেষ—প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন অঞ্চলের রাজধানী পুণ্ড্রনগর। করতোয়া নদীর তীরে উঁচু মাটির দুর্গপ্রাচীরে ঘেরা এই নগর মৌর্য, গুপ্ত, পাল ও সেন আমল পেরিয়ে প্রায় দেড় হাজার বছর প্রাদেশিক রাজধানী ছিল।

১৯৩১ সালে এখানে ব্রাহ্মী লিপিতে লেখা একটি চুনাপাথরের ফলক পাওয়া যায়, যা মৌর্য আমলের (খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতক) বলে ধরা হয়—এটি বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন লিখিত প্রমাণ। চীনা পর্যটক হিউয়েন সাং সপ্তম শতকে পুণ্ড্রনগর ভ্রমণ করে এখানকার বৌদ্ধ বিহারের বর্ণনা দেন।

দুর্গের ভেতরে ও আশপাশে বৈরাগীর ভিটা, খোদার পাথর ভিটা, মানকালীর কুণ্ড, জিয়ত কুণ্ড আর পরশুরামের প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ। দুর্গের পাশে সুফি সাধক শাহ সুলতান বলখি মাহিসাওয়ারের মাজার, যিনি কিংবদন্তি অনুযায়ী মাছের পিঠে চড়ে এসে রাজা পরশুরামকে পরাজিত করেন। প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘরে খননে পাওয়া মূর্তি, মুদ্রা ও পোড়ামাটির নিদর্শন আছে।

যা যা করবেন

  • দুর্গপ্রাচীরের ওপর দিয়ে হাঁটুন
  • মহাস্থান প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর দেখুন
  • শাহ সুলতান বলখির মাজারে যান
  • মহাস্থানের বিখ্যাত কটকটি কিনুন

কাছাকাছি আরো যা দেখবেন

  • গোকুল মেধ/বেহুলার বাসরঘর (২ কিমি)
  • ভাসু বিহার (৬ কিমি)
  • বগুড়া শহর (১৩ কিমি)

জেনে রাখুন

  • রবিবার জাদুঘর বন্ধ, সোমবার অর্ধদিবস
  • মহাস্থানের কটকটি (মিষ্টি) কিনে আনুন
  • গোকুল মেধ ও ভাসু বিহার একই দিনে দেখা যায়

ম্যাপে অবস্থান

খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।

বিখ্যাত খাবার২টি

বগুড়া জেলায় এলে যা না খেলেই নয়

জেলার তথ্য
দইবগুড়ার দইআকবরিয়া, রফাত, এশিয়া
মিষ্টিমহাস্থানের কটকটি

বিখ্যাত পণ্য ও কেনাকাটা২টি

স্মৃতি হিসেবে বা প্রিয়জনের জন্য নিয়ে যান

জেলার তথ্য
কেনাকাটাদই
কেনাকাটাকটকটি

থাকার জায়গা৩টি

বগুড়া জেলা শহর আর জনপ্রিয় স্পটের আশেপাশে

জেলার তথ্য
বিলাসবহুলমম ইন
হোটেলনাজ গার্ডেন হোটেল
সরকারিপর্যটন মোটেল বগুড়া

কীভাবে যাবেন

মহাস্থানগড় পৌঁছানোর পথ, ঢাকা থেকে যাতায়াত ও আনুমানিক ভাড়া

জেলার তথ্য
জায়গাটিতে পৌঁছানোবগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিমি; রংপুর রোডে বাস/সিএনজি।
বাসেমহাখালী/গাবতলী থেকে গ্রীন লাইন, এস আর, শাহ ফতেহ আলী, হানিফ; নন-এসি ৫০০–৬৫০৳, এসি ১,০০০–১,৩০০৳।
ট্রেনেলালমনি/রংপুর এক্সপ্রেসে সান্তাহার বা বগুড়া।
ঢাকা থেকে বগুড়াপ্রায় ২০০ কিমি · ৪–৫ ঘণ্টা
গুগল ম্যাপে রাস্তা দেখুন

জেলার তথ্য বগুড়া জেলার থানা, হাসপাতাল ও টুরিস্ট পুলিশ

জরুরি নম্বর · মহাস্থানগড়

বগুড়া-এর স্থানীয় থানা ও হাসপাতালের নম্বর এখনো যোগ হয়নি — বিপদে ৯৯৯-এ কল করুন।

বগুড়া জেলার পুরো ভ্রমণ গাইড →

প্ল্যানে যোগ