- সেরা সময়সারা বছর
- প্ল্যানে যোগ করুন
বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকার নবাবদের গোলাপি প্রাসাদ, এখন জাদুঘর। নবাবি আমলের আসবাব ও ছবি দেখা যায়।
ঐতিহ্য
এক নজরে
- নির্মাণ
- ১৮৫৯–১৮৭২ সাল
- নির্মাতা
- নবাব আবদুল গনি
- জাদুঘর
- ১৯৯২ সাল থেকে (জাতীয় জাদুঘরের শাখা)
- সময়সূচি
- বৃহস্পতিবার বন্ধ
ইতিহাস ও বিস্তারিত
আহসান মঞ্জিলের জায়গায় আঠারো শতকে জামালপুর পরগনার জমিদার শেখ এনায়েতউল্লাহর 'রংমহল' ছিল। পরে ফরাসিরা এখানে কুঠি তৈরি করে। ১৮৩৫ সালে নবাব খাজা আলীমুল্লাহ কুঠিটি কিনে নেন, আর তাঁর ছেলে নবাব আবদুল গনি ১৮৫৯ থেকে ১৮৭২ সালে নতুন প্রাসাদ তৈরি করে ছেলে খাজা আহসানুল্লাহর নামে নাম রাখেন 'আহসান মঞ্জিল'।
১৮৮৮ সালের প্রলয়ংকরী টর্নেডোতে প্রাসাদ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়; পুনর্নির্মাণের সময় এর ওপরে বর্তমানের বিখ্যাত গম্বুজটি যোগ করা হয়, যা তখন ঢাকার সবচেয়ে উঁচু স্থাপনাগুলোর একটি ছিল। এখানে ঢাকায় প্রথম বিদ্যুৎ বাতি জ্বলে বলে জানা যায়।
ঢাকার নবাব পরিবার ব্রিটিশ আমলে পূর্ববঙ্গের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ছিল; ১৯০৬ সালে নবাব স্যার সলিমুল্লাহর উদ্যোগে এখানে সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। ১৯৮৫ সালে সরকার প্রাসাদটি অধিগ্রহণ করে সংস্কারের পর ১৯৯২ সালে জাদুঘর হিসেবে খুলে দেয়; এর ২৩টি গ্যালারিতে নবাবি আমলের আসবাব, ছবি ও ব্যবহৃত জিনিস আছে।
যা যা করবেন
- রংমহলের গ্যালারিগুলোতে নবাবি জীবনযাত্রা দেখুন
- বুড়িগঙ্গার দিক থেকে প্রাসাদের সম্মুখভাগের ছবি তুলুন
- সদরঘাটে নৌকায় বুড়িগঙ্গা ঘুরে আসুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- তারা মসজিদ (১ কিমি)
- আর্মেনিয়ান চার্চ (১ কিমি)
- সদরঘাট (০.৫ কিমি)
- লালবাগ কেল্লা (৩ কিমি)
- রূপলাল হাউস (১ কিমি)
জেনে রাখুন
- বৃহস্পতিবার বন্ধ, শুক্রবার বিকেলে খোলে
- বুড়িগঙ্গার পাড় থেকে প্রাসাদের গোলাপি সম্মুখভাগের ছবি সবচেয়ে সুন্দর আসে
- সদরঘাট এলাকায় যানজট বেশি—হাতে সময় রাখুন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।








