- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~২৭০ কিমি · ৬–৭ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
পাহাড়ের ভেতর দিয়ে অন্ধকার রহস্যময় গুহা; মশাল হাতে পার হতে হয়।
পাহাড়
এক নজরে
- দৈর্ঘ্য
- প্রায় ৩৫০ ফুট
- অবস্থান
- মাটিরাঙ্গা, খাগড়াছড়ি শহর থেকে ৭ কিমি
- উচ্চতা (টিলা)
- প্রায় ৩,০০০ ফুট সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বলে প্রচলিত
- প্রবেশ
- সামান্য টিকিট; মশাল ভাড়া
ইতিহাস ও বিস্তারিত
আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্র খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সড়কের পাশে জেলা প্রশাসন পরিচালিত। টিলার নাম নিয়ে প্রচলিত গল্প—ব্রিটিশ আমলে এক দুর্ভিক্ষের সময় স্থানীয়রা এই পাহাড়ের বুনো আলু খেয়ে বেঁচে ছিলেন, তাই নাম আলুটিলা।
মূল আকর্ষণ পাহাড়ের ভেতর দিয়ে যাওয়া প্রাকৃতিক সুড়ঙ্গ, স্থানীয় ভাষায় 'মাতাই হাকর' বা দেবতার গুহা। ভেতরে একেবারে অন্ধকার, নিচ দিয়ে ঝিরির ঠান্ডা পানি বয়ে যায়; মশাল হাতে প্রায় ১০–১৫ মিনিটে এক মুখ থেকে অন্য মুখে বের হওয়া যায়।
টিলার ওপরের ভিউ পয়েন্ট থেকে খাগড়াছড়ি শহর আর চারপাশের পাহাড় দেখা যায়; সাজেক যাওয়া-আসার পথে প্রায় সবাই এখানে থামেন।
যা যা করবেন
- মশাল হাতে গুহা পার হন
- ভিউ পয়েন্ট থেকে খাগড়াছড়ি শহর দেখুন
- একই দিনে রিছাং ঝর্ণা ঘুরে আসুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- রিছাং ঝর্ণা (৪ কিমি)
- ঝুলন্ত সেতু ও হর্টিকালচার পার্ক (৬ কিমি)
- দেবতা পুকুর (১৫ কিমি)
জেনে রাখুন
- মশাল বা টর্চ অবশ্যই নিন
- ভেতরে পিচ্ছিল পাথর—ভালো স্যান্ডেল পরুন
- আলুটিলার ভিউ পয়েন্ট থেকে খাগড়াছড়ি শহর দেখা যায়
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।


