- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~৩৪০ কিমি · ৭–৮ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
দেশের সবচেয়ে বড় সেচ প্রকল্পের ব্যারাজ; নদী, চর আর সূর্যাস্ত।
হাওর-নদী
এক নজরে
- চালু
- ১৯৯০ সাল
- দৈর্ঘ্য
- প্রায় ৬১৫ মিটার
- জলকপাট
- ৪৪টি
- অবস্থান
- দোয়ানী (লালমনিরহাট) – ডালিয়া (নীলফামারী)
ইতিহাস ও বিস্তারিত
উত্তরবঙ্গের খরাপ্রবণ অঞ্চলে সেচ দিতে ১৯৭৯ সালে তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় এবং ১৯৯০ সালে ব্যারাজ চালু হয়। এটি দেশের সবচেয়ে বড় সেচ প্রকল্প; সেচখালের মাধ্যমে রংপুর, দিনাজপুর, নীলফামারীর বিস্তীর্ণ জমিতে পানি যায়।
ভারতের সিকিম থেকে নেমে আসা তিস্তা নদীর উজানে গজলডোবায় ভারতের ব্যারাজ থাকায় শুকনো মৌসুমে এখানে পানিপ্রবাহ অনেক কমে যায়; তিস্তার পানি বণ্টন দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের আলোচিত ইস্যু।
বর্ষায় জলকপাট খুলে দিলে প্রবল স্রোতের দৃশ্য আর শুকনো মৌসুমে বিশাল বালুচর—দুই রূপই দেখতে পর্যটকরা আসেন। ব্যারাজ এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাজানো পার্ক ও রেস্ট হাউস আছে।
যা যা করবেন
- ব্যারাজের ওপর থেকে তিস্তার দুই পাশ দেখুন
- নৌকায় তিস্তার চরে ঘুরুন
- বিকেলে সূর্যাস্ত দেখুন
- শীতে পিকনিক করুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া প্রান্ত (নীলফামারী)
- তিনবিঘা করিডোর (৫০ কিমি)
- হাতীবান্ধা বাজার (১০ কিমি)
জেনে রাখুন
- ব্যারাজের ওপর ছবি তোলার নিয়ম জেনে নিন
- নৌকায় তিস্তার চরে ঘুরে আসুন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।

