- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~৩৪০ কিমি · ৭–৮ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
ভারতের ভেতর দিয়ে বাংলাদেশের ছিটমহল দহগ্রাম-আঙ্গরপোতায় যাওয়ার করিডোর।
ঐতিহ্য
এক নজরে
- আয়তন
- ১৭৮ × ৮৫ মিটার (প্রায় তিন বিঘা)
- চুক্তি
- মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি (১৯৭৪)
- খোলা
- ১৯৯২ সালে সীমিত সময়; ২০১১ থেকে ২৪ ঘণ্টা
- ছিটমহল
- দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা
ইতিহাস ও বিস্তারিত
দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের একটি ভূখণ্ড, যা চারদিক থেকে ভারতের কোচবিহার দিয়ে ঘেরা। ১৯৭৪ সালের সীমান্ত চুক্তিতে বাংলাদেশ দক্ষিণ বেরুবাড়ী ভারতকে দেয়, বিনিময়ে দহগ্রামের সাথে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগের জন্য ভারতের তিনবিঘা জমি ব্যবহারের অধিকার পায়।
নানা জটিলতায় করিডোরটি খুলতে দেরি হয়; ১৯৯২ সালে দিনে কয়েক ঘণ্টার জন্য খোলা হয়, আর ২০১১ সাল থেকে ২৪ ঘণ্টা খোলা। করিডোর ভারতের সার্বভৌম ভূখণ্ড, তবে বাংলাদেশিরা পাসপোর্ট ছাড়াই পারাপার করতে পারেন।
২০১৫ সালের স্থল সীমান্ত চুক্তিতে অন্য ছিটমহলগুলো বিনিময় হলেও দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অংশ হিসেবেই রয়ে গেছে। দহগ্রামে ঢুকলে তিস্তা নদী, সীমান্তবর্তী গ্রামীণ জীবন আর ছিটমহলের ইতিহাস অনুভব করা যায়।
যা যা করবেন
- করিডোর দিয়ে দহগ্রামে প্রবেশ করুন
- দহগ্রামের তিস্তা পাড়ে যান
- স্থানীয়দের কাছে ছিটমহলের জীবনের গল্প শুনুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- পাটগ্রাম (১০ কিমি)
- বুড়িমারী স্থলবন্দর (২০ কিমি)
- তিস্তা ব্যারাজ (৫০ কিমি)
জেনে রাখুন
- করিডোরে থামা ও ছবি তোলার নিয়ম কঠোর—বিএসএফ/বিজিবির নির্দেশ মানুন
- জাতীয় পরিচয়পত্র সাথে রাখুন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।

