- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~২২০ কিমি · ৪.৫–৫ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
রানী ভবানীর রাজবাড়ি; দিঘি, মন্দির আর বাগানে ঘেরা।
ঐতিহ্য
এক নজরে
- প্রতিষ্ঠা
- আঠারো শতকের শুরু (রামজীবন রায়)
- আয়তন
- প্রায় ১২০ একর
- বিখ্যাত
- রানী ভবানী (১৭১৬–১৭৯৫)
- ভবন
- বড় তরফ ও ছোট তরফের প্রাসাদ, মন্দির, দিঘি
ইতিহাস ও বিস্তারিত
আঠারো শতকের শুরুতে মুর্শিদাবাদের নবাব মুর্শিদকুলী খানের আনুকূল্যে রামজীবন রায় বিশাল নাটোর জমিদারির মালিক হন এবং রাজধানী নাটোরে স্থানান্তর করেন। তাঁর দত্তক পুত্র রামকান্তের স্ত্রী রানী ভবানী স্বামীর মৃত্যুর পর দীর্ঘ সময় জমিদারি পরিচালনা করেন।
রানী ভবানী তাঁর দক্ষ প্রশাসন, দানশীলতা আর মন্দির-রাস্তা-দিঘি নির্মাণের জন্য 'অর্ধবঙ্গেশ্বরী' নামে পরিচিত ছিলেন; তাঁর জমিদারি ছিল বাংলার বিশাল অংশজুড়ে। পলাশীর যুদ্ধের আগে সিরাজউদ্দৌলার প্রতি তাঁর সমর্থনের কথা ইতিহাসে উল্লেখ আছে।
রাজবাড়ি কমপ্লেক্সে বড় তরফ ও ছোট তরফের প্রাসাদ, শ্যামসুন্দর মন্দির, আনন্দময়ী কালীবাড়ি আর কয়েকটি দিঘি। বর্তমানে এটি 'রানী ভবানী কেন্দ্রীয় উদ্যান' নামে পর্যটনকেন্দ্র।
যা যা করবেন
- বড় তরফের প্রাসাদ ও দিঘি ঘুরুন
- রাজবাড়ির মন্দিরগুলো দেখুন
- নাটোরের কাঁচাগোল্লা খান
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- উত্তরা গণভবন (৩ কিমি)
- চলনবিল (২০ কিমি)
- পুঠিয়া মন্দির কমপ্লেক্স (২০ কিমি)
জেনে রাখুন
- নাটোরের কাঁচাগোল্লা কিনতে ভুলবেন না
- উত্তরা গণভবনের সাথে একই দিনে ঘোরা যায়
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।


