- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~২২০ কিমি · ৪.৫–৫ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
দিঘাপতিয়া রাজাদের প্রাসাদ; বিরল গাছের বাগান আর জাদুঘর।
ঐতিহ্য
এক নজরে
- প্রতিষ্ঠা
- আঠারো শতক (দয়ারাম রায়)
- পুনর্নির্মাণ
- ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পের পর
- আয়তন
- প্রায় ৪৩ একর
- নামকরণ
- ১৯৭২ সালে 'উত্তরা গণভবন'
ইতিহাস ও বিস্তারিত
রানী ভবানীর বিশ্বস্ত দেওয়ান দয়ারাম রায় পলাশীর যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে দিঘাপতিয়া জমিদারি পান এবং এখানে রাজবাড়ি গড়ে তোলেন। ১৮৯৭ সালের প্রলয়ংকরী ভূমিকম্পে প্রাসাদ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হলে রাজা প্রমদানাথ রায় ইউরোপীয় স্থপতি ও কারিগরদের দিয়ে নতুন করে নির্মাণ করেন।
প্রবেশপথের চূড়ায় ইংল্যান্ডে তৈরি বিশাল ঘড়ি, ভেতরে ইতালীয় বাগান, মার্বেলের ভাস্কর্য আর বিদেশ থেকে আনা বিরল গাছ (হৈমন্তী, পারিজাত, এগপ্লান্ট ইত্যাদি)। কুমার শরৎকুমার রায় এই পরিবারেরই সন্তান, যিনি বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৪৭ সালের পর পরিবারটি ভারতে চলে যায়। ১৯৬৭ সালে এটি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের উত্তরাঞ্চলীয় বাসভবন হয়, আর ১৯৭২ সালে নাম দেওয়া হয় 'উত্তরা গণভবন'—উত্তরবঙ্গে সরকারপ্রধানের বাসভবন। এখন এর একটি অংশ সংগ্রহশালা হিসেবে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত।
যা যা করবেন
- ঘড়িওয়ালা সিংহদুয়ারের ছবি তুলুন
- ইতালীয় বাগান ও মার্বেলের মূর্তি দেখুন
- সংগ্রহশালায় রাজপরিবারের জিনিসপত্র দেখুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- নাটোর রাজবাড়ি (৩ কিমি)
- চলনবিল (২০ কিমি)
- নাটোর শহর
জেনে রাখুন
- প্রবেশপথের ঘড়িওয়ালা সিংহদুয়ার দেখুন
- সোমবার বা নির্দিষ্ট দিনে বন্ধ থাকতে পারে—খোঁজ নিন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।


