টাঙ্গাইল জেলা · ঢাকা বিভাগ

মধুপুর জাতীয় উদ্যান

জনপ্রিয়

বিশাল শালবন; বানর, হরিণ আর গারো-কোচ জনগোষ্ঠীর গ্রাম দেখা যায়।

বন-প্রকৃতি

ঘোরার সেরা সময়নভেম্বর–মার্চ
কতক্ষণ লাগবেপুরো দিন
আনুমানিক খরচসামান্য প্রবেশ ফি (দেশি দর্শনার্থী সাধারণত ২০–৫০৳, আনুমানিক); বন বিভাগের রেস্ট হাউস আগে বুকিং

এক নজরে

আয়তন
প্রায় ৮,৪৩৬ হেক্টর
ঘোষণা
১৯৬২ সালে সংরক্ষিত, ১৯৮২ সালে জাতীয় উদ্যান
বন
শালবন (পত্রঝরা)
জনগোষ্ঠী
গারো ও কোচ

ইতিহাস ও বিস্তারিত

মধুপুর গড় ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল জুড়ে বিস্তৃত একটি উঁচু লালমাটির অঞ্চল, যেখানে দেশের সবচেয়ে বড় শালবন ছিল। ১৯৬২ সালে বনটি সংরক্ষিত হয় এবং পরে জাতীয় উদ্যান ঘোষিত হয়।

বনে মুখপোড়া হনুমান, বানর, মায়া হরিণ, বনবিড়াল আর প্রায় ১৯০ প্রজাতির পাখি আছে। উদ্যানের ভেতরে লহরিয়া হরিণ প্রজনন কেন্দ্র আর দোখলায় বন বিভাগের পুরনো রেস্ট হাউস।

শতাব্দী ধরে এখানে গারো ও কোচ জনগোষ্ঠী বসবাস করছে; বনভূমির অধিকার নিয়ে তাদের সাথে বন বিভাগের দ্বন্দ্বের দীর্ঘ ইতিহাস আছে। মধুপুর এলাকা দেশের সবচেয়ে বড় আনারস উৎপাদন অঞ্চল।

যা যা করবেন

  • শালবনের ভেতরের রাস্তায় হাঁটুন বা সাইকেল চালান
  • লহরিয়া হরিণ প্রজনন কেন্দ্র দেখুন
  • গারো গ্রামে যান (অনুমতি নিয়ে)
  • মৌসুমে আনারস বাজার ঘুরুন

কাছাকাছি আরো যা দেখবেন

  • ধনবাড়ী নবাব মঞ্জিল (১৫ কিমি)
  • দোখলা রেস্ট হাউস (উদ্যানের ভেতরে)
  • জলছত্র আনারস বাজার (১০ কিমি)

জেনে রাখুন

  • মধুপুরের আনারস (জুন-আগস্ট) বিখ্যাত
  • গারো গ্রামে গেলে স্থানীয়দের অনুমতি নিয়ে ছবি তুলুন

ম্যাপে অবস্থান

খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।

বিখ্যাত খাবার২টি

টাঙ্গাইল জেলায় এলে যা না খেলেই নয়

জেলার তথ্য
মিষ্টিপোড়াবাড়ির চমচমসবচেয়ে বিখ্যাত
ফলমধুপুরের আনারস

বিখ্যাত পণ্য ও কেনাকাটা১টি

স্মৃতি হিসেবে বা প্রিয়জনের জন্য নিয়ে যান

জেলার তথ্য
তাঁতের শাড়িটাঙ্গাইল তাঁতের শাড়িপাথরাইল

থাকার জায়গা২টি

মধুপুর জাতীয় উদ্যান-এর কাছে থাকার ব্যবস্থা

সরকারিবন বিভাগের রেস্ট হাউসদোখলা, অনুমতি সাপেক্ষে
রিসোর্টধনবাড়ী নবাব মঞ্জিল রিসোর্ট

কীভাবে যাবেন

মধুপুর জাতীয় উদ্যান পৌঁছানোর পথ, ঢাকা থেকে যাতায়াত ও আনুমানিক ভাড়া

জেলার তথ্য
জায়গাটিতে পৌঁছানোটাঙ্গাইল থেকে মধুপুর প্রায় ৫০ কিমি; বাসে গিয়ে রসুলপুর গেট।
বাসেমহাখালী থেকে টাঙ্গাইলগামী বাস (নিরালা, ঝটিকা ইত্যাদি), ভাড়া ২০০–৩০০৳।
ট্রেনেকমলাপুর থেকে উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনে টাঙ্গাইল স্টেশন, ভাড়া ১৫০–৩৫০৳।
ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলপ্রায় ৯৮ কিমি · ২.৫–৩ ঘণ্টা
গুগল ম্যাপে রাস্তা দেখুন

জেলার তথ্য টাঙ্গাইল জেলার থানা, হাসপাতাল ও টুরিস্ট পুলিশ

জরুরি নম্বর · মধুপুর জাতীয় উদ্যান

টাঙ্গাইল-এর স্থানীয় থানা ও হাসপাতালের নম্বর এখনো যোগ হয়নি — বিপদে ৯৯৯-এ কল করুন।

টাঙ্গাইল জেলার পুরো ভ্রমণ গাইড →

প্ল্যানে যোগ