- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~৯৮ কিমি · ২.৫–৩ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
সুন্দর রঙিন প্রাসাদ, পুকুর আর বাগান নিয়ে জমিদার বাড়ি; বর্তমানে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার।
ঐতিহ্য
এক নজরে
- নির্মাণ
- ১৮৯০ সালের দিকে
- নির্মাতা
- কালিচরণ সাহা ও আনন্দ মোহন সাহা
- আয়তন
- প্রায় ৮ একর
- বর্তমান ব্যবহার
- পুলিশ ট্রেনিং স্কুল (পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত)
ইতিহাস ও বিস্তারিত
মির্জাপুরের মহেড়ায় সাহা পরিবারের এই জমিদার বাড়ি ১৮৯০ সালের দিকে নির্মিত হয়। কলকাতার ব্যবসায়ী কালিচরণ সাহা ও আনন্দ মোহন সাহা ভাইয়েরা এখানে জমিদারি প্রতিষ্ঠা করে স্পেনীয় স্থাপত্যের আদলে রঙিন প্রাসাদ তৈরি করেন। মূল ভবনগুলো হলো চৌধুরী লজ, মহারাজ লজ, আনন্দ লজ ও কালীচরণ লজ।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনী জমিদার বাড়িতে হামলা চালিয়ে পরিবারের কয়েকজনসহ গ্রামবাসীকে হত্যা করে; পরে পরিবারের বাকি সদস্যরা ভারতে চলে যান। স্বাধীনতার পর বাড়িটি সরকারের অধীনে আসে এবং ১৯৯০ সাল থেকে পুলিশ ট্রেনিং স্কুল (বর্তমানে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার) হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
সুন্দর রক্ষণাবেক্ষণের কারণে বাড়িটি দেশের সবচেয়ে সুন্দর জমিদার বাড়িগুলোর একটি; সামনের বিশাল দিঘি 'বিশাখা সাগর', ফুলের বাগান আর রঙিন ভবনগুলো ছবি তোলার জন্য জনপ্রিয়।
যা যা করবেন
- চৌধুরী লজ ও মহারাজ লজের সম্মুখভাগ দেখুন
- বিশাখা সাগর দিঘির পাড়ে হাঁটুন
- টাঙ্গাইল যাওয়ার পথে পোড়াবাড়ির চমচম কিনুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- আতিয়া মসজিদ (২৫ কিমি)
- করটিয়া জমিদার বাড়ি (২৫ কিমি)
- পাকুল্যা ও নাগরপুরের জমিদার বাড়ি
জেনে রাখুন
- পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হওয়ায় নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে যাবেন না
- ছবি তোলার জন্য সকালের আলো ভালো
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।




