- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- From Dhaka~160 কিমি · 4 hours
- প্ল্যানে যোগ করুন
পাকশীতে পাশাপাশি পুরনো রেলসেতু আর নতুন সড়ক সেতু; পদ্মার দৃশ্য।
HeritageHaors & rivers
At a glance
- হার্ডিঞ্জ ব্রিজ
- ১৯১৫ সালে চালু, প্রায় ১.৮ কিমি
- স্প্যান
- ১৫টি ইস্পাতের স্প্যান
- লালন শাহ সেতু
- ২০০৪ সালে চালু (সড়ক সেতু)
- অবস্থান
- পাকশী, ঈশ্বরদী
History & details
পূর্ববঙ্গের সাথে কলকাতার রেলযোগাযোগ সহজ করতে ১৯০৯ সালে পদ্মার ওপর রেলসেতুর নির্মাণ শুরু হয়; প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন স্যার রবার্ট উইলিয়াম গেইলস। ১৯১৫ সালে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ সেতুটি উদ্বোধন করেন, তাঁর নামেই নাম। নির্মাণকালে এর ভিত্তি ছিল বিশ্বের গভীরতম সেতু-ভিত্তিগুলোর একটি।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ডিসেম্বরে ভারতীয় বিমান হামলায় সেতুর ১২ নম্বর স্প্যান ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে নদীতে পড়ে যায়; স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে মেরামত করে আবার চালু করা হয়।
২০০৪ সালে পাশেই সড়ক পরিবহনের জন্য লালন শাহ সেতু চালু হয়। পাকশী ব্রিটিশ আমল থেকে রেলওয়ের বিভাগীয় সদর দপ্তর; এখানকার পুরনো বাংলো, রেলকলোনি আর পদ্মার পাড় মিলিয়ে জায়গাটি ছবি তোলার জন্য দারুণ। কাছেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।
Things to do
- নদীর পাড় থেকে দুই সেতু এক ফ্রেমে ধরুন
- নৌকায় সেতুর নিচ দিয়ে পদ্মা ঘুরুন
- পাকশী রেলওয়ে কলোনি ও পুরনো বাংলো দেখুন
- সূর্যাস্তে পদ্মার পাড়ে বসুন
More to see nearby
- পাকশী রেলওয়ে কলোনি (১ কিমি)
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এলাকা (৫ কিমি)
- লালন শাহের মাজার, কুষ্টিয়া (২৫ কিমি)
Good to know
- সেতুর নিচে নদীর পাড় থেকে দুটি সেতু এক ফ্রেমে ধরুন
- রেললাইনে হাঁটা নিষেধ
Location on the map
Costs and schedules are estimates and can change — check before you go.


