বান্দরবান জেলা · চট্টগ্রাম বিভাগ

দামতুয়া ঝর্ণা

পরিচিত

আলীকদমের গভীরে দুই ধাপে পড়া চওড়া ঝরনা।

ঝরনা

ঘোরার সেরা সময়সেপ্টেম্বর–নভেম্বর
কতক্ষণ লাগবেপুরো দিন
আনুমানিক খরচগাইড খরচ

ইতিহাস ও পরিচিতি

ম্রো পাড়ার মধ্য দিয়ে কয়েক ঘণ্টা হেঁটে পৌঁছাতে হয়; পথে ছোট ঝরনা আর ঝিরি। মূল ঝরনার সামনে খোলা পাথুরে জায়গা, দুপুরে রোদে রংধনু দেখা যায়।

জেনে রাখুন

  • গাইড ছাড়া যাবেন না
  • ভোরে রওনা দিন

ম্যাপে অবস্থান

খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।

বিখ্যাত খাবার৩টি

বান্দরবান জেলায় এলে যা না খেলেই নয়

জেলার তথ্য
পাহাড়িবাঁশ কোরল
পাহাড়িব্যাম্বু চিকেন
ফলপাহাড়ি সবজি ও ফল

বিখ্যাত পণ্য ও কেনাকাটা২টি

স্মৃতি হিসেবে বা প্রিয়জনের জন্য নিয়ে যান

জেলার তথ্য
তাঁতবস্ত্রপাহাড়ি তাঁতের চাদর ও কাপড়
হস্তশিল্পবাঁশ-বেতের হস্তশিল্প

থাকার জায়গা৩টি

বান্দরবান জেলা শহর আর জনপ্রিয় স্পটের আশেপাশে

জেলার তথ্য
বিলাসবহুলসাইরু হিল রিসোর্ট
রিসোর্টনীলগিরি রিসোর্টসেনাবাহিনী পরিচালিত, আগে বুকিং লাগে
বাজেটবান্দরবান শহরে হোটেল হিল ভিউসহ মাঝারি মানের হোটেল৳১,৫০০–৩,৫০০

কীভাবে যাবেন

দামতুয়া ঝর্ণা পৌঁছানোর পথ, ঢাকা থেকে যাতায়াত ও আনুমানিক ভাড়া

জেলার তথ্য
জায়গাটিতে পৌঁছানোআলীকদম থেকে থানচি সড়কে ১৭ কিলো নামে পরিচিত জায়গায় নেমে গাইডসহ হেঁটে।
বাসেসায়েদাবাদ/কলাবাগান থেকে সরাসরি শ্যামলী, হানিফ, এস আলম, সেন্টমার্টিন পরিবহন; নন-এসি ৮৫০–১,০০০৳, এসি ১,৫০০–২,০০০৳।
সড়কপথেচট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান বাসে প্রায় ২.৫ ঘণ্টা।
ট্রেনেসরাসরি ট্রেন নেই; ট্রেনে চট্টগ্রাম গিয়ে বহদ্দারহাট থেকে বান্দরবানের বাস (প্রায় ২.৫ ঘণ্টা)।
ঢাকা থেকে বান্দরবানপ্রায় ৩৩০ কিমি · ৭–৮ ঘণ্টা
গুগল ম্যাপে রাস্তা দেখুন

জেলার তথ্য বান্দরবান জেলার থানা, হাসপাতাল ও টুরিস্ট পুলিশ

জরুরি নম্বর · দামতুয়া ঝর্ণা

বান্দরবান-এর স্থানীয় থানা ও হাসপাতালের নম্বর এখনো যোগ হয়নি — বিপদে ৯৯৯-এ কল করুন।

বান্দরবান জেলার পুরো ভ্রমণ গাইড →

প্ল্যানে যোগ