- সেরা সময়সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি
- ঢাকা থেকে~৩৩০ কিমি · ৭–৮ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
সাঙ্গু নদীর উপর দেশের বড় জলপ্রপাতগুলোর একটি।
ঝরনা
এক নজরে
- উচ্চতা
- প্রায় ২৫–৩০ ফুট
- অবস্থান
- রেমাক্রি, থানচি উপজেলা
- নদী
- রেমাক্রি খাল (সাঙ্গুর উপনদী)
- যাত্রা
- থানচি থেকে নৌকা + হাঁটা
ইতিহাস ও বিস্তারিত
মারমা ভাষায় 'খুম' অর্থ জলপ্রপাত বা গভীর জলাশয়। রেমাক্রি খালের একটি বড় ধাপে পুরো নদীর পানি একসাথে নিচে পড়ে এই জলপ্রপাত তৈরি করেছে; প্রস্থ আর পানির পরিমাণের কারণে একে কেউ কেউ 'বাংলার নায়াগ্রা' বলেন।
যাত্রাপথটাই রোমাঞ্চকর—থানচি থেকে ইঞ্জিন নৌকায় সাঙ্গু নদী ধরে উজানে যেতে হয়; পথে তিন্দু, রাজা পাথর আর বড় পাথরের এলাকা পড়ে। রেমাক্রি বাজারে নেমে ঝিরিপথ ধরে প্রায় ২–৩ ঘণ্টা হাঁটতে হয়।
দুর্গম হওয়ায় এখানে নিবন্ধিত গাইড নেওয়া বাধ্যতামূলক, এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন সময় থানচি-রেমাক্রি পথে পর্যটক চলাচল বন্ধ থাকে।
যা যা করবেন
- সাঙ্গু নদীতে নৌকাভ্রমণে রাজা পাথর দেখুন
- রেমাক্রিতে রাত কাটান
- নাফাখুমের সামনে পাথরে বসে জলপ্রপাত উপভোগ করুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- রেমাক্রি জলপ্রপাত (বাজারের কাছে)
- তিন্দু ও বড় পাথর
- আমিয়াখুম ও ভেলাখুম (অভিজ্ঞ ট্রেকারদের জন্য)
আগস্ট ২০২৬-এ তিন্দুমুখ থেকে নাফাখুম পর্যন্ত পথ খোলা ঘোষণা করা হয়েছে; নির্দেশিত রুটের বাইরে যাওয়া নিষেধ।
জেনে রাখুন
- থানচিতে বিজিবি/পুলিশে নিবন্ধন ও গাইড বাধ্যতামূলক
- বর্ষায় সাঙ্গু নদী বিপজ্জনক—আবহাওয়া দেখে যান
- এলাকায় প্রবেশ মাঝে মাঝে সীমিত থাকে—আগে খোঁজ নিন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।







