- সেরা সময়অক্টোবর, নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি
- ঢাকা থেকে~৩৩০ কিমি · ৭–৮ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
দেশের অন্যতম উঁচু পাহাড়চূড়া; ট্রেকারদের প্রিয় গন্তব্য।
পাহাড়
এক নজরে
- উচ্চতা
- প্রায় ৩,১৭২ ফুট (৯৬৭ মিটার)
- অবস্থান
- রুমা উপজেলা
- ট্রেক
- বগা লেক থেকে ৩–৪ ঘণ্টা
- অনুমতি
- আর্মি ক্যাম্পে নিবন্ধন ও গাইড বাধ্যতামূলক
ইতিহাস ও বিস্তারিত
কেওক্রাডং দীর্ঘদিন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হিসেবে পরিচিত ছিল। পরে জিপিএস জরিপে তাজিংডং ও সাকা হাফং (মদক মুয়াল) এর চেয়ে উঁচু বলে জানা যায়, তবে কেওক্রাডং এখনো দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্রেকিং গন্তব্য। 'কেওক্রাডং' নামটি মারমা ভাষা থেকে এসেছে বলে ধারণা।
চূড়ায় একটি ছোট হেলিপ্যাড ও উঁচুতে ওঠার পর চারদিকে মিয়ানমার ও ভারতের মিজোরামের দিকের পাহাড় দেখা যায়। পথে দার্জিলিং পাড়া, চিংড়ি ঝর্ণা আর বম জনগোষ্ঠীর গ্রাম পড়ে। শীতের রাতে চূড়ায় বেশ ঠান্ডা পড়ে।
যা যা করবেন
- দার্জিলিং পাড়ায় বিশ্রাম নিয়ে পাহাড়ি খাবার খান
- চূড়ায় সূর্যোদয় বা সূর্যাস্ত দেখুন
- পথে চিংড়ি ঝর্ণায় থামুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- বগা লেক
- দার্জিলিং পাড়া
- জাদিপাই ঝর্ণা (অভিজ্ঞ ট্রেকারদের জন্য)
- পাসিং পাড়া
আগস্ট ২০২৬-এ কেওক্রাডং চূড়া থেকে সুংসুংপাড়া পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য খোলা হয়েছে; নিবন্ধিত গাইড ও নির্দেশিত রুট মানতে হবে।
জেনে রাখুন
- নিবন্ধিত গাইড ও আর্মি অনুমতি বাধ্যতামূলক
- ভালো ট্রেকিং জুতা ও পর্যাপ্ত পানি নিন
- রাতে শীত পড়ে—গরম কাপড় রাখুন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।








