- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~৩৩০ কিমি · ৭–৮ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
দুই পাশে খাড়া পাথরের দেয়ালের মাঝে গভীর, ঠান্ডা পানির খুম; বাঁশের ভেলায় ভেসে ভেতরে যেতে হয়।
পাহাড়হাওর-নদী
এক নজরে
- গভীরতা
- প্রায় ৫০–৭০ ফুট
- দৈর্ঘ্য
- প্রায় ৬০০ ফুট
- অবস্থান
- রোয়াংছড়ি উপজেলা
- প্রবেশপথ
- কচ্ছপতলী আর্মি ক্যাম্প
ইতিহাস ও বিস্তারিত
দেবতাখুম রোয়াংছড়ির শীলবান্ধা এলাকার একটি গভীর পাথুরে খাদ। স্থানীয় মারমা জনগোষ্ঠী একে পবিত্র মনে করে, সেখান থেকে 'দেবতার খুম' নাম। দুই পাশে প্রায় সমান্তরাল খাড়া পাথরের দেয়াল, মাঝে সবুজাভ গভীর পানি—দিনের বেলাতেও ভেতরে আলো কম থাকে।
২০১৮–১৯ সালের দিকে ভ্রমণপিপাসুদের ছবিতে জায়গাটি পরিচিতি পায়। পং সু আং খুম পার হয়ে বাঁশের ভেলায় করে মূল খুমের ভেতরে ঢুকতে হয়; ভেলা ঠেলে ঠেলে ভেতরের দিকে যাওয়ার অভিজ্ঞতাই এখানকার প্রধান আকর্ষণ।
নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে রোয়াংছড়ি এলাকায় মাঝে মাঝে পর্যটক প্রবেশ বন্ধ থাকে; তাই যাত্রার আগে সর্বশেষ অবস্থা জেনে নিন।
যা যা করবেন
- ভেলায় চড়ে খুমের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত যান
- পং সু আং খুমে ছবি তুলুন
- ফেরার পথে শীলবান্ধা ঝিরিপথ উপভোগ করুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- শীলবান্ধা ঝর্ণা (পথে)
- পং সু আং খুম (দেবতাখুমের আগে)
- বান্দরবান শহর (২৫ কিমি)
ভারী বৃষ্টিতে প্রশাসন আগাম ঘোষণা ছাড়াই প্রবেশ বন্ধ করতে পারে (জুলাই ২০২৬-এ ১৬–২০ জুলাই বন্ধ ছিল)।
জেনে রাখুন
- কচ্ছপতলী আর্মি ক্যাম্পে নাম নিবন্ধন ও নিবন্ধিত গাইড বাধ্যতামূলক—জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সাথে নিন
- নিরাপত্তাজনিত কারণে রোয়াংছড়ি এলাকায় পর্যটক প্রবেশ মাঝে মাঝে বন্ধ থাকে—যাওয়ার আগে বান্দরবান জেলা প্রশাসন বা গাইডের কাছে খোঁজ নিন
- খুমের পানি গভীর ও খুব ঠান্ডা—সাঁতার জানলেও লাইফ জ্যাকেট পরুন
- ঝিরিপথে পাথর পিচ্ছিল—গ্রিপওয়ালা স্যান্ডেল পরুন আর মোবাইল ওয়াটারপ্রুফ ব্যাগে রাখুন
- সকালে রওনা দিন; বিকেলের পর ফেরার পথে অন্ধকার নামে
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।









