বান্দরবান জেলা · চট্টগ্রাম বিভাগ

দেবতাখুম

জনপ্রিয়

দুই পাশে খাড়া পাথরের দেয়ালের মাঝে গভীর, ঠান্ডা পানির খুম; বাঁশের ভেলায় ভেসে ভেতরে যেতে হয়।

পাহাড়হাওর-নদী

ঘোরার সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ (পানি শান্ত ও স্বচ্ছ); বর্ষায় পাহাড়ি ঢলের কারণে বিপজ্জনক ও প্রায়ই বন্ধ
কতক্ষণ লাগবেপুরো দিন (বান্দরবান শহর থেকে যাওয়া-আসা)
আনুমানিক খরচজনপ্রতি ১,৫০০–৩,০০০৳ (সিএনজি/জিপ রিজার্ভ ভাগাভাগি, গাইড ১,০০০–১,৫০০৳ প্রতি দল, ভেলা ও লাইফ জ্যাকেট জনপ্রতি ২০০–৪০০৳)

এক নজরে

গভীরতা
প্রায় ৫০–৭০ ফুট
দৈর্ঘ্য
প্রায় ৬০০ ফুট
অবস্থান
রোয়াংছড়ি উপজেলা
প্রবেশপথ
কচ্ছপতলী আর্মি ক্যাম্প

ইতিহাস ও বিস্তারিত

দেবতাখুম রোয়াংছড়ির শীলবান্ধা এলাকার একটি গভীর পাথুরে খাদ। স্থানীয় মারমা জনগোষ্ঠী একে পবিত্র মনে করে, সেখান থেকে 'দেবতার খুম' নাম। দুই পাশে প্রায় সমান্তরাল খাড়া পাথরের দেয়াল, মাঝে সবুজাভ গভীর পানি—দিনের বেলাতেও ভেতরে আলো কম থাকে।

২০১৮–১৯ সালের দিকে ভ্রমণপিপাসুদের ছবিতে জায়গাটি পরিচিতি পায়। পং সু আং খুম পার হয়ে বাঁশের ভেলায় করে মূল খুমের ভেতরে ঢুকতে হয়; ভেলা ঠেলে ঠেলে ভেতরের দিকে যাওয়ার অভিজ্ঞতাই এখানকার প্রধান আকর্ষণ।

নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে রোয়াংছড়ি এলাকায় মাঝে মাঝে পর্যটক প্রবেশ বন্ধ থাকে; তাই যাত্রার আগে সর্বশেষ অবস্থা জেনে নিন।

যা যা করবেন

  • ভেলায় চড়ে খুমের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত যান
  • পং সু আং খুমে ছবি তুলুন
  • ফেরার পথে শীলবান্ধা ঝিরিপথ উপভোগ করুন

কাছাকাছি আরো যা দেখবেন

  • শীলবান্ধা ঝর্ণা (পথে)
  • পং সু আং খুম (দেবতাখুমের আগে)
  • বান্দরবান শহর (২৫ কিমি)

ভারী বৃষ্টিতে প্রশাসন আগাম ঘোষণা ছাড়াই প্রবেশ বন্ধ করতে পারে (জুলাই ২০২৬-এ ১৬–২০ জুলাই বন্ধ ছিল)।

জেনে রাখুন

  • কচ্ছপতলী আর্মি ক্যাম্পে নাম নিবন্ধন ও নিবন্ধিত গাইড বাধ্যতামূলক—জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সাথে নিন
  • নিরাপত্তাজনিত কারণে রোয়াংছড়ি এলাকায় পর্যটক প্রবেশ মাঝে মাঝে বন্ধ থাকে—যাওয়ার আগে বান্দরবান জেলা প্রশাসন বা গাইডের কাছে খোঁজ নিন
  • খুমের পানি গভীর ও খুব ঠান্ডা—সাঁতার জানলেও লাইফ জ্যাকেট পরুন
  • ঝিরিপথে পাথর পিচ্ছিল—গ্রিপওয়ালা স্যান্ডেল পরুন আর মোবাইল ওয়াটারপ্রুফ ব্যাগে রাখুন
  • সকালে রওনা দিন; বিকেলের পর ফেরার পথে অন্ধকার নামে

ম্যাপে অবস্থান

খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।

বিখ্যাত খাবার৩টি

বান্দরবান জেলায় এলে যা না খেলেই নয়

জেলার তথ্য
পাহাড়িবাঁশ কোরল
পাহাড়িব্যাম্বু চিকেন
ফলপাহাড়ি সবজি ও ফল

বিখ্যাত পণ্য ও কেনাকাটা২টি

স্মৃতি হিসেবে বা প্রিয়জনের জন্য নিয়ে যান

জেলার তথ্য
তাঁতবস্ত্রপাহাড়ি তাঁতের চাদর ও কাপড়
হস্তশিল্পবাঁশ-বেতের হস্তশিল্প

থাকার জায়গা২টি

দেবতাখুম-এর কাছে থাকার ব্যবস্থা

হোটেলবান্দরবান শহরে থেকে দিনে ঘুরে আসা সবচেয়ে সুবিধাজনক
ইকো / কটেজকচ্ছপতলী এলাকায় খুব সাধারণ মানের কটেজ/হোমস্টেসীমিত

কীভাবে যাবেন

দেবতাখুম পৌঁছানোর পথ, ঢাকা থেকে যাতায়াত ও আনুমানিক ভাড়া

জেলার তথ্য
জায়গাটিতে পৌঁছানোবান্দরবান শহর থেকে রোয়াংছড়ি হয়ে কচ্ছপতলী বাজার (সিএনজি/জিপ)। কচ্ছপতলীর পর কোনো যানবাহন যেতে দেওয়া হয় না; নিবন্ধন ও গাইড নিয়ে প্রায় ৫ কিমি হাঁটা, তারপর ভেলা। লাইফ জ্যাকেট বাধ্যতামূলক।
বাসেসায়েদাবাদ/কলাবাগান থেকে সরাসরি শ্যামলী, হানিফ, এস আলম, সেন্টমার্টিন পরিবহন; নন-এসি ৮৫০–১,০০০৳, এসি ১,৫০০–২,০০০৳।
সড়কপথেচট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান বাসে প্রায় ২.৫ ঘণ্টা।
ট্রেনেসরাসরি ট্রেন নেই; ট্রেনে চট্টগ্রাম গিয়ে বহদ্দারহাট থেকে বান্দরবানের বাস (প্রায় ২.৫ ঘণ্টা)।
ঢাকা থেকে বান্দরবানপ্রায় ৩৩০ কিমি · ৭–৮ ঘণ্টা
গুগল ম্যাপে রাস্তা দেখুন

জেলার তথ্য বান্দরবান জেলার থানা, হাসপাতাল ও টুরিস্ট পুলিশ

জরুরি নম্বর · দেবতাখুম

বান্দরবান-এর স্থানীয় থানা ও হাসপাতালের নম্বর এখনো যোগ হয়নি — বিপদে ৯৯৯-এ কল করুন।

বান্দরবান জেলার পুরো ভ্রমণ গাইড →

প্ল্যানে যোগ