- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~২৫০ কিমি · ৫–৬ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
সীতাকুণ্ডে প্রায় ১,০০০ ফুট উঁচু পাহাড়চূড়ায় মন্দির; ট্রেকিং ও চারপাশের দৃশ্যের জন্য জনপ্রিয়।
পাহাড়ঐতিহ্য
এক নজরে
- উচ্চতা
- প্রায় ১,০২০ ফুট
- অবস্থান
- সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ৩৭ কিমি উত্তরে
- গুরুত্ব
- হিন্দুদের তীর্থস্থান; শিবচতুর্দশী মেলা
- ওঠার সময়
- ১–১.৫ ঘণ্টা (একপথ)
ইতিহাস ও বিস্তারিত
সীতাকুণ্ডের পাহাড়সারির সবচেয়ে উঁচু চূড়ায় চন্দ্রনাথ মন্দির। হিন্দু পুরাণে এটি সতীর দেহাংশ পতিত হওয়ার ৫১ শক্তিপীঠের একটি হিসেবে বিবেচিত, আর সীতাকুণ্ড নামটির সাথেও রামায়ণের সীতার কাহিনি জড়িয়ে আছে বলে প্রচলিত। বহু শতাব্দী ধরে এখানে তীর্থযাত্রীরা আসছেন।
প্রতি বছর ফাল্গুন মাসে শিবচতুর্দশী উপলক্ষে সীতাকুণ্ডে দেশের অন্যতম বড় ধর্মীয় মেলা বসে; সেসময় লাখো মানুষ পাহাড়ে ওঠেন। পাহাড়ে ওঠার পথে বিরূপাক্ষ মন্দিরসহ আরো কয়েকটি মন্দির পড়ে।
ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি এখন এটি ট্রেকারদের কাছেও জনপ্রিয়। একদিকে বঙ্গোপসাগর ও সন্দ্বীপ চ্যানেল, অন্যদিকে সবুজ পাহাড়ের ঢেউ—চূড়া থেকে এই দৃশ্য দেখতেই অনেকে ভোরে ওঠা শুরু করেন। সাধারণত সিঁড়ির পথ ধরে উঠে পাহাড়ি পথে নামা সহজ।
যা যা করবেন
- ভোরে উঠা শুরু করে চূড়া থেকে সূর্যোদয় বা সকালের আলো দেখুন
- পথে বিরূপাক্ষ মন্দিরে থামুন
- নেমে এসে একই দিনে গুলিয়াখালী সৈকত বা ইকোপার্ক ঘুরুন
- সীতাকুণ্ড বাজারে স্থানীয় খাবার খান
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক ও সহস্রধারা ঝর্ণা (৩ কিমি)
- গুলিয়াখালী সৈকত (৫ কিমি)
- বাঁশবাড়িয়া সৈকত (১০ কিমি)
- কুমিরা ঘাট (১২ কিমি)
জেনে রাখুন
- উঠতে সিঁড়ি ও নামতে পাহাড়ি পথ ব্যবহার করা সহজ
- পর্যাপ্ত পানি নিন, বর্ষায় পথ পিচ্ছিল থাকে
- গুলিয়াখালী সৈকতের সাথে একই দিনে ঘোরা যায়
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।







