- সেরা সময়অক্টোবর–ফেব্রুয়ারি
- ঢাকা থেকে~২৫০ কিমি · ৫–৬ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
সবুজ ঘাসের কার্পেট আর কেওড়া বনের সাথে ব্যতিক্রমী সমুদ্র সৈকত।
সমুদ্র
এক নজরে
- অবস্থান
- মুরাদপুর ইউনিয়ন, সীতাকুণ্ড
- বৈশিষ্ট্য
- ঘাসের গালিচা, নালা ও কেওড়া বন
- প্রবেশ
- বিনামূল্যে
- সেরা সময়
- ভাটার সময়, শীতকাল
ইতিহাস ও বিস্তারিত
গুলিয়াখালী সৈকত প্রচলিত বালুময় সৈকতের মতো নয়। এখানে সমুদ্রের তীর জুড়ে সবুজ ঘাসের মাঠ, তার মাঝ দিয়ে এঁকেবেঁকে বয়ে গেছে জোয়ারের পানির অসংখ্য ছোট নালা। একপাশে উপকূলীয় বন বিভাগের লাগানো কেওড়া বন—যা সৈকতটিকে সুন্দরবনের মতো চেহারা দেয়।
২০১০-এর দশকের মাঝামাঝি সামাজিক মাধ্যমে ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর জায়গাটি দেশজুড়ে পরিচিত হয়। জোয়ারের সময় ঘাসের মাঠ পানিতে ডুবে যায়, আর ভাটায় আবার সবুজ মাঠ জেগে ওঠে—দিনের দুই সময়ে দুই রকম রূপ দেখা যায়।
সীতাকুণ্ড বাজার থেকে কাছে হওয়ায় চন্দ্রনাথ পাহাড় বা ইকোপার্ক ঘোরার দিনে বিকেলে গুলিয়াখালীতে সূর্যাস্ত দেখা জনপ্রিয় পরিকল্পনা।
যা যা করবেন
- ভাটার সময় ঘাসের মাঠে হেঁটে ছবি তুলুন
- কেওড়া বনের পাশ দিয়ে হাঁটুন
- সূর্যাস্ত দেখে সন্ধ্যার আগে ফিরুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- চন্দ্রনাথ পাহাড় (৫ কিমি)
- সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক (৫ কিমি)
- বাঁশবাড়িয়া সৈকত (৮ কিমি)
জেনে রাখুন
- জোয়ার-ভাটার সময় দেখে যান
- কাদায় পা আটকে যেতে পারে—স্যান্ডেল পরুন
- সন্ধ্যার আগে ফিরে আসুন, রাস্তায় আলো কম
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।







