- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~২৫০ কিমি · ৫–৬ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
কর্ণফুলীর মোহনায় শহরের কাছের সমুদ্র সৈকত; সন্ধ্যায় জাহাজের আলো আর সামুদ্রিক খাবারের দোকান।
সমুদ্র
এক নজরে
- অবস্থান
- চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ১৪ কিমি দক্ষিণে, কর্ণফুলীর মোহনায়
- ধরন
- শহরঘেঁষা সমুদ্র সৈকত
- প্রবেশ
- বিনামূল্যে, সারা দিন খোলা
- পাশে
- শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বাংলাদেশ নৌবাহিনী একাডেমি
ইতিহাস ও বিস্তারিত
পতেঙ্গা সৈকত কর্ণফুলী নদী আর বঙ্গোপসাগরের মিলনস্থলের কাছে অবস্থিত। চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অপেক্ষমাণ বড় বড় জাহাজ এখান থেকে সরাসরি দেখা যায়; সন্ধ্যায় জাহাজগুলোর আলো জ্বলে উঠলে সমুদ্রকে আলোকিত নগরীর মতো মনে হয়।
১৯৯১ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে এই উপকূল ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে ভাঙন ঠেকাতে সৈকতে কংক্রিটের ব্লক ও পাথর বসানো হয়, যা এখন সৈকতের চেনা চেহারা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৈকত ঘিরে বাঁধানো ওয়াকওয়ে, বসার জায়গা ও আলোকসজ্জা করা হয়েছে।
সৈকতের কাছেই পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে দেশের প্রথম টানেল (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নামে নির্মিত) আনোয়ারার দিকে গেছে, যা ২০২৩ সালে চালু হয়। বিকেলে স্থানীয়দের ভিড়, ঘোড়ায় চড়া, স্পিডবোট আর সামুদ্রিক খাবারের দোকান মিলিয়ে পতেঙ্গা চট্টগ্রামের প্রাণবন্ত বিনোদনকেন্দ্র।
যা যা করবেন
- সূর্যাস্তের সময় জাহাজের সারির পেছনে সূর্য ডোবা দেখুন
- স্পিডবোটে সাগরে অল্প সময় ঘুরে আসুন
- সৈকতের দোকানে কাঁকড়া ফ্রাই ও চিংড়ি খান
- বিমান ওঠানামার দৃশ্য দেখুন (বিমানবন্দর খুব কাছে)
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- নেভাল একাডেমি সংলগ্ন নদীর মোহনা (২–৩ কিমি)
- কর্ণফুলী টানেল প্রবেশমুখ (৩–৪ কিমি)
- প্রজাপতি পার্ক, পতেঙ্গা (৫ কিমি)
- বাটারফ্লাই পার্কের পথে কর্ণফুলী নদীর পাড়
জেনে রাখুন
- জোয়ারের সময় পাথরের ব্লকে দাঁড়াবেন না
- সৈকতের দোকানে কাঁকড়া ও মাছ ফ্রাই খাওয়ার আগে দাম জেনে নিন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।







