- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~২৫০ কিমি · ৫–৬ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
পদ্মার বাঁধানো পাড়; সূর্যাস্ত আর নৌকায় চরে ঘোরা।
হাওর-নদী
এক নজরে
- অবস্থান
- রাজশাহী শহরের দক্ষিণে পদ্মার তীর
- উদ্দেশ্য
- শহর রক্ষা বাঁধ
- সেরা সময়
- বিকেল ও সূর্যাস্ত; অক্টোবর–মার্চ
- পাশে
- বড়কুঠি, লালন শাহ পার্ক
ইতিহাস ও বিস্তারিত
রাজশাহী শহর দীর্ঘদিন ধরে পদ্মার ভাঙনের ঝুঁকিতে ছিল। শহর রক্ষায় নদীর তীরে বাঁধ ও 'টি' আকৃতির স্পার (বাঁধের অংশ) তৈরি করা হয়, যা স্থানীয়ভাবে টি-বাঁধ নামে পরিচিত। পরে বাঁধের পাশে উদ্যান, বসার জায়গা ও হাঁটার পথ তৈরি হলে এটি শহরের প্রধান বিনোদনকেন্দ্র হয়ে ওঠে।
পাশেই বড়কুঠি—সতেরো-আঠারো শতকে ওলন্দাজ বণিকদের তৈরি রেশম ব্যবসার কুঠি, পরে ইংরেজরা ব্যবহার করে; এটি রাজশাহীর সবচেয়ে পুরনো ইমারতগুলোর একটি। শুকনো মৌসুমে পদ্মার জল নেমে গেলে বিশাল চর জেগে ওঠে, আর নৌকায় চরে ঘুরতে যাওয়া জনপ্রিয়।
যা যা করবেন
- টি-বাঁধে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত দেখুন
- নৌকায় পদ্মার চরে ঘুরে আসুন
- বড়কুঠির পুরনো ভবন দেখুন
- নদীর পাড়ের দোকানে কালাই রুটি খান
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- বড়কুঠি (১ কিমি)
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর (২ কিমি)
- শাহ মখদুমের মাজার (১ কিমি)
জেনে রাখুন
- বর্ষায় পদ্মায় স্রোত বেশি—নৌকায় সাবধানে থাকুন
- পাশের বড়কুঠি ওলন্দাজদের তৈরি পুরনো ভবন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।




