- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~২৫০ কিমি · ৫–৬ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
পুঠিয়া রাজবাড়ি আর শিবমন্দির, গোবিন্দ মন্দিরসহ টেরাকোটা মন্দিরের সবচেয়ে বড় সমাবেশ।
ঐতিহ্য
এক নজরে
- রাজবংশ
- পুঠিয়া (সতেরো শতক থেকে)
- রাজবাড়ি
- ১৮৯৫ সাল, মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী
- মন্দির
- ২০টির মতো প্রাচীন মন্দির
- অবস্থান
- রাজশাহী থেকে ৩০ কিমি পূর্বে
ইতিহাস ও বিস্তারিত
পুঠিয়া রাজবংশ সতেরো শতকে বৎসাচার্য নামে এক সাধকের বংশধরদের হাতে প্রতিষ্ঠিত হয় বলে জানা যায়; মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের কাছ থেকে তাঁরা 'রাজা' উপাধি পান। পরে জমিদারি পাঁচ আনি ও চার আনি শরিকে ভাগ হয়।
১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী তাঁর শাশুড়ি মহারানী শরৎসুন্দরী দেবীর সম্মানে ইন্দো-ইউরোপীয় রীতিতে দোতলা রাজবাড়ি (পাঁচআনি রাজবাড়ি) নির্মাণ করেন। চারপাশে শিবসাগর, গোপালচৌকিসহ কয়েকটি দিঘি।
রাজবাড়িকে ঘিরে আছে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি প্রাচীন মন্দিরের সমাবেশ—১৮২৩ সালে রানী ভুবনময়ী দেবী নির্মিত পঞ্চরত্ন রীতির বিশাল বড় শিবমন্দির (ভুবনেশ্বর মন্দির), টেরাকোটায় মোড়ানো গোবিন্দ মন্দির, দোলমঞ্চ, জগন্নাথ ও বড় আহ্নিক মন্দির। পোড়ামাটির ফলকে রামায়ণ-মহাভারত ও কৃষ্ণলীলার দৃশ্য অসাধারণ।
যা যা করবেন
- শিবসাগরের পাড় থেকে বড় শিবমন্দিরের প্রতিবিম্বের ছবি তুলুন
- গোবিন্দ মন্দিরের টেরাকোটা খুঁটিয়ে দেখুন
- পাঁচআনি রাজবাড়ির সম্মুখভাগ দেখুন
- দোলমঞ্চে উঠে চারপাশ দেখুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- রাজশাহী শহর (৩০ কিমি)
- নাটোর রাজবাড়ি (২০ কিমি)
- উত্তরা গণভবন (২৫ কিমি)
জেনে রাখুন
- শিবসাগর দিঘির পাড় থেকে বড় শিবমন্দিরের প্রতিবিম্বের ছবি নিন
- রাজশাহী থেকে নাটোরের পথে একসাথে ঘোরা যায়
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।




