- সেরা সময়সারা বছর
- ঢাকা থেকে~২৫০ কিমি · ৫–৬ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত দেশের প্রথম জাদুঘর; পাল-সেন আমলের অসাধারণ ভাস্কর্য।
ঐতিহ্য
এক নজরে
- প্রতিষ্ঠা
- ১৯১০ সাল (বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতি)
- ভবন উদ্বোধন
- ১৯১৬ সাল
- সংগ্রহ
- ৯,০০০+ প্রত্নবস্তু
- পরিচালনা
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ইতিহাস ও বিস্তারিত
১৯১০ সালে দিঘাপতিয়ার কুমার শরৎকুমার রায়, ঐতিহাসিক অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় ও রমাপ্রসাদ চন্দ মিলে 'বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতি' গঠন করেন এবং বরেন্দ্র অঞ্চল ঘুরে প্রত্নবস্তু সংগ্রহ শুরু করেন। এটিই বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর।
১৯১৬ সালে বর্তমান ভবনটি উদ্বোধন করা হয়; এর স্থাপত্যে হিন্দু, বৌদ্ধ ও মুসলিম রীতির মিশেল। ১৯৬৪ সাল থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় জাদুঘরটি পরিচালনা করছে।
এখানে পাল ও সেন যুগের পাথর ও ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য, মহেঞ্জোদারো থেকে আনা নিদর্শন, গুপ্ত ও সুলতানি আমলের মুদ্রা, শিলালিপি আর হাজারো সংস্কৃত ও বাংলা পাণ্ডুলিপি আছে। পালযুগের ভাস্কর্যের সংগ্রহে এটি উপমহাদেশের সমৃদ্ধতম জাদুঘরগুলোর একটি।
যা যা করবেন
- পাল-সেন যুগের ভাস্কর্য গ্যালারি দেখুন
- প্রাচীন মুদ্রা ও শিলালিপির সংগ্রহ দেখুন
- ভবনের স্থাপত্যের ছবি তুলুন (বাইরে থেকে)
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- পদ্মা গার্ডেন ও টি-বাঁধ (২ কিমি)
- শাহ মখদুমের মাজার (২ কিমি)
- রাজশাহী কলেজ (১ কিমি)
- বড়কুঠি (২ কিমি)
জেনে রাখুন
- বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকতে পারে—সময়সূচি দেখে যান
- ভেতরে ছবি তোলা সীমিত
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।




