- সেরা সময়জুন, জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর
- ঢাকা থেকে~২৪০ কিমি · ৫–৬ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
পাহাড় থেকে নামা স্বচ্ছ পানি আর বিছানো পাথর; বর্ষা ও শরতে সবচেয়ে সুন্দর।
হাওর-নদী
এক নজরে
- অবস্থান
- রুস্তমপুর ইউনিয়ন, গোয়াইনঘাট
- পৌঁছানো
- হাদারপাড় বাজার থেকে নৌকা
- বৈশিষ্ট্য
- পাথর বিছানো স্বচ্ছ জলধারা
- সেরা সময়
- জুন–অক্টোবর
ইতিহাস ও বিস্তারিত
বিছনাকান্দি মেঘালয়ের পাহাড়ি ধারা যেখানে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, তার মুখে অবস্থিত। পাহাড় থেকে বয়ে আসা পাথর বিছানার মতো ছড়িয়ে আছে, আর তার ওপর দিয়ে ঠান্ডা স্বচ্ছ পানি বয়ে যায়—এখান থেকেই নাম বিছনাকান্দি।
২০১৪–১৫ সালের দিকে সামাজিক মাধ্যমে ছবি ছড়িয়ে পড়ার আগে জায়গাটি স্থানীয়দের কাছেই পরিচিত ছিল। এখন বর্ষায় হাজারো পর্যটক আসেন। ওপারে মেঘালয়ের পাহাড় আর ঝর্ণা, আর সামনে পানিতে বসে থাকার জন্য পাথরের বিশাল বিস্তার।
ভারী বৃষ্টির পর পাহাড়ি ঢলে হঠাৎ পানি বেড়ে যায়; প্রতি বছর অসতর্কতায় দুর্ঘটনা ঘটে, তাই স্রোতের দিকে সতর্ক থাকা জরুরি।
যা যা করবেন
- পাথরের ওপর বসে ঠান্ডা পানিতে পা ভিজিয়ে বিশ্রাম নিন
- নৌকায় যাওয়ার পথে পান্থুমাই ঝর্ণা দেখুন
- সীমান্তের দিকে না গিয়ে নিরাপদ অংশে থাকুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- পান্থুমাই ঝর্ণা (নৌপথে ৩০ মিনিট)
- লক্ষ্মণছড়া (নৌপথে)
- রাতারগুল (৩০ কিমি)
জেনে রাখুন
- ভারী বর্ষণের পর পাহাড়ি ঢল নামতে পারে—সতর্ক থাকুন
- শুকনো মৌসুমে পানি প্রায় থাকে না
- পাথর উত্তোলন এলাকা এড়িয়ে চলুন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।







