- সেরা সময়জুন, জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর
- ঢাকা থেকে~২৪০ কিমি · ৫–৬ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
দেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন; বর্ষায় নৌকায় গাছের ফাঁকে ঘোরা।
বন-প্রকৃতিহাওর-নদী
এক নজরে
- আয়তন
- প্রায় ৫০৪ একর (সংরক্ষিত এলাকা আরো বড়)
- অবস্থান
- গোয়াইনঘাট, সিলেট শহর থেকে প্রায় ২৬ কিমি
- সংরক্ষণ
- ১৯৭৩ সালে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য/সংরক্ষিত বন
- পানি থাকে
- বর্ষায় প্রায় ৪–৫ মাস
ইতিহাস ও বিস্তারিত
রাতারগুল বাংলাদেশের একমাত্র স্বীকৃত মিঠাপানির জলাবন (ফ্রেশওয়াটার সোয়াম্প ফরেস্ট)। সিলেটের স্থানীয় ভাষায় 'রাতা' বা মূর্তা গাছ থেকে এলাকার নাম রাতারগুল হয়েছে বলে ধারণা; মূর্তা থেকে শীতলপাটি তৈরি হয়।
বর্ষায় গুয়াইন ও চেঙ্গি খালের পানিতে বন প্লাবিত হয়; হিজল, করচ, বরুণ, বেত আর কদম গাছের গুঁড়ি ২০–৩০ ফুট পানির নিচে ডুবে থাকে। তখন ডিঙি নৌকায় গাছের ফাঁক দিয়ে ঘোরা যায়—যা দেশের আর কোথাও এভাবে সম্ভব নয়। শুকনো মৌসুমে পানি নেমে গেলে বন সাধারণ বনের মতো দেখায়।
বনে বানর, গুইসাপ, সাপ, বক, মাছরাঙা ও নানা প্রজাতির মাছ আছে। বন বিভাগের একটি ওয়াচ টাওয়ার থেকে পুরো বনের ক্যানোপি দেখা যায়। অতিরিক্ত পর্যটকের চাপ থেকে বন রক্ষায় নৌকার সংখ্যা ও চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
যা যা করবেন
- ডিঙি নৌকায় বনের ভেতরে ঘুরুন
- ওয়াচ টাওয়ার থেকে বনের ওপরের দৃশ্য দেখুন
- মোটরগাট ঘাটের কাছে স্থানীয় খাবার খান
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- বিছনাকান্দি (৩০ কিমি)
- পান্থুমাই ঝর্ণা (৩৫ কিমি)
- লক্ষ্মণছড়া (৮ কিমি)
- সিলেট শহর (২৬ কিমি)
জেনে রাখুন
- ছোট ডিঙিতে ভারসাম্য রাখুন, লাইফ জ্যাকেট নিন
- গাছের ডালে সাপ থাকতে পারে—হাত দেবেন না
- ওয়াচ টাওয়ার থেকে পুরো বনের দৃশ্য দেখুন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।







