- সেরা সময়অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে~২৪০ কিমি · ৫–৬ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
ভারতের মেঘালয় পাহাড়ের নিচে পিয়াইন নদী, পাথর আর স্বচ্ছ পানি; পাশে খাসিয়া পুঞ্জি।
হাওর-নদী
এক নজরে
- অবস্থান
- গোয়াইনঘাট, সিলেট শহর থেকে প্রায় ৬০ কিমি
- নদী
- পিয়াইন (মেঘালয় থেকে আসা)
- সীমান্ত
- ভারতের ডাউকি, মেঘালয়
- সেরা সময়
- অক্টোবর–মার্চ (স্বচ্ছ পানি)
ইতিহাস ও বিস্তারিত
জাফলং খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে পিয়াইন নদীর তীরে অবস্থিত। একসময় এই এলাকা জৈন্তিয়া রাজ্যের অংশ ছিল; ১৮৩৫ সালে ব্রিটিশরা জৈন্তিয়া রাজ্য দখল করে। দেশভাগের পর সীমান্তরেখা পাহাড়ের পাদদেশ ধরে টানা হয়—তাই জাফলং থেকে দেখা যায় পাহাড়গুলো ভারতের অংশে, আর নদীর বালু-পাথর বাংলাদেশে।
মেঘালয়ের পাহাড় থেকে বয়ে আসা পিয়াইনের স্বচ্ছ পানির নিচে নানা রঙের পাথর এখানকার প্রধান আকর্ষণ। ওপারে ডাউকির ঝুলন্ত সেতু আর পাহাড় থেকে নামা কয়েকটি ঝর্ণা দেখা যায়। বছরের পর বছর পাথর উত্তোলনের কারণে এলাকার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; এখন তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।
নদীর ওপারে খাসিয়া জনগোষ্ঠীর সংগ্রামপুঞ্জিতে পানের বরজ, সুপারি বাগান আর মাতৃতান্ত্রিক খাসিয়া সমাজের জীবন দেখা যায়। কাছেই মায়াবী ঝর্ণা ও জাফলং চা বাগান।
যা যা করবেন
- নৌকায় জিরো পয়েন্টের কাছে গিয়ে ডাউকি সেতু দেখুন
- মায়াবী ঝর্ণায় যান (সংগ্রামপুঞ্জির দিকে)
- খাসিয়া পুঞ্জিতে পানের বরজ দেখুন
- পথে তামাবিল স্থলবন্দর ও শ্রীপুর চা বাগানে থামুন
কাছাকাছি আরো যা দেখবেন
- মায়াবী ঝর্ণা (২ কিমি)
- তামাবিল স্থলবন্দর (৫ কিমি)
- শ্রীপুর চা বাগান (১০ কিমি)
- লালাখাল (২০ কিমি)
- জৈন্তিয়া রাজবাড়ি ও মেগালিথ (২৫ কিমি)
জেনে রাখুন
- স্রোতে পা পিছলে যাওয়ার ঝুঁকি—গভীর পানিতে নামবেন না
- সীমান্তরেখা পার হবেন না, বিজিবির নির্দেশ মানুন
- খাসিয়া পুঞ্জিতে ছবি তোলার আগে অনুমতি নিন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।







