- সেরা সময়সেপ্টেম্বর–নভেম্বর
- ঢাকা থেকে~৩৩০ কিমি · ৭–৮ ঘণ্টা
- প্ল্যানে যোগ করুন
কেওক্রাডংয়ের ওপারে পাসিং পাড়ার নিচে বিশাল ঝরনা।
ঝরনা
ইতিহাস ও পরিচিতি
কেওক্রাডং পেরিয়ে আলাদা খাড়া পথে নামতে হয়, তাই এটি কেওক্রাডংয়ের অংশ নয় বরং আলাদা গন্তব্য। চওড়া পাথরের দেয়াল জুড়ে পানি নামে, রোদে রংধনু দেখা যায়। ফেরার চড়াই কষ্টকর।
জেনে রাখুন
- নামার পথ পিচ্ছিল, ট্রেকিং জুতা পরুন
- ফেরার সময় হাতে রাখুন
ম্যাপে অবস্থান
খরচ ও সময়সূচি আনুমানিক এবং বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।






